সূর্যের সহোদর আবিষ্কার!

sun
সমাজের কথা ডেস্ক॥
অবশেষে পাওয়া গেল সূর্যের এক সহোদরের খোঁজ। সূর্য আমাদের সৌরজগতের প্রধান নক্ষত্র। একে ঘিরেই আমাদের সৌরজগত আবর্তিত হচ্ছে।
এর বাইরে মহাকাশ গবেষকরা অবশেষে খুঁজে পেলেন আরেক সূর্যকে, যা আমাদের সৌরজগতের সূর্যের মতো হুবহু একই গ্যাস ও ধুলিকণা দিয়ে তৈরি। সে কারণেই মহাকাশ গবেষকরা একে বলছেন, আমাদের সূর্যের সহোদর (ঝরনষরহম)।
এই সূর্যটির নাম দেওয়া হয়েছে- এইচডি ১৬২৮২৬। এটি আমাদের সূর্যের চেয়ে ১৫ গুণ বড়। এটি একশ ১০ আলোকবর্ষ দূরে কন্সটেলেশন হারকিউলেস স্তরে অবস্থিত।
এ গবেষক দলের নেতৃত্বে আছেন অস্টিনের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের গবেষক আইভান রামিরেজ। তারা আমাদের সৌর জগতের সূর্যের আরো সহোদর খুঁজছেন। আর জানার চেষ্টা করছেন, এই নক্ষত্রগুলো কী দিয়ে তৈরি, কীভাবে এর সৃষ্টি এবং সেই সঙ্গে জানার চেষ্টা করছেন, সৌরজগত কীভাবে প্রাণের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করলো।
এ বিষয়ে গবেষক দলের প্রধান আইভান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমাদের কীভাবে সৃষ্টি হলো, সেটি আমরা জানতে চাই।
তিনি বলেন, আমরা যদি জানতে পারি যে, গ্যালাক্সির কোন স্তরে সূর্য গঠিত হলো, তাহলে আমরা সূর্যের গঠনকালীন সময়ের ধারণা পাবো। তাহলে আমরা জানতে পারবো, কেন আমরা এখানে অবস্থান করছি।
তিনি বলেন, মহাবিশ্বের সৃষ্টির সময় খণ্ডবিখণ্ড টুকরোগুলো সৌরজগত অতিক্রম করার সময় হয়ত পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চারে সহযোগিতা করে থাকতে পারে।
আইভান রামিরেজ বলেন, আমরা যদি সূর্যের আরো সহোদরকে খুঁজে পাই, তাহলে এতে বহির্জগতের প্রাণীর খোঁজও পেতে পারি; যেহেতু এদের গঠনপ্রণালি একই।
তিনি জানান, খালি চোখে এই সূর্যের সহোদরের দেখা না পেলেও স্বল্পক্ষমতার বাইনোকুলার দিয়ে এটিকে সহজেই দেখা যাবে। এটি উজ্জ্বল নক্ষত্র ভেগা থেকে বেশি দূরে নয়।
আইভান এটা জানিয়ে দিতে ভোলেননি যে, সূর্যের এই সহোদরের কোনো গ্রহ আছে কিনা কিংবা তাতে কোনো প্রাণের অস্তিত্ব আছে কিনা, তা তারা এখন পর্যন্ত জানেন না।

শেয়ার