সরকার হটাতে ব্যাংককে বিক্ষোভ

Thiland
সমাজের কথা ডেস্ক॥ থাইল্যান্ডে আদালতের নির্দেশে প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াতের পদত্যাগের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে হটাতে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু করেছে বিরোধীরা।
শুক্রবার নির্বাচন স্থগিত, বর্তমান সরকারের পদত্যাগসহ নানা দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছে বিক্ষোভকারীরা। ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে সাংবিধানিক আদালতের নির্দেশে ইংলাকসহ তার মন্ত্রী সভার কয়েকজন মন্ত্রীর পদত্যাগের পর ক্ষমতাসীন পুয়ে থাই পার্টির তত্ত্বাবধায়ক সরকারই রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।
এ সরকারের অধীনেই আগামী ২০ জুলাই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু বিরোধীরা এ সরকারের পতন চাইছে এবং নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার দাবি জানাচ্ছে।
একইসঙ্গে রাজনীতিতে ইংলাকের ভাই, সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াতের প্রভাব দূর করতে এর আমূল সংস্কারের দাবিও রয়েছে বিরোধী ডেমোক্রেট পার্টির।
শুক্রবার বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন বিরোধী নেতা সুথেপ থাগসুবান। এই সময় নেতাকর্মীদেরকে পার্লামেন্ট ভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারপন্থি হিসেবে পরিচিত পাঁচটি টেলিভিশন ভবনের বাইরে অবস্থান নেয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
“থাকসিন গোষ্ঠীকে ছিটেফোঁটাসহ থাইল্যান্ড থেকে বিতাড়ন করা হবে,” সমাবেশে বলেন সুথেপ।
থাইল্যান্ডের অভিজাত শ্রেণি পুয়ে থাই পার্টির নেতা থাকসিনকে একজন দুর্নীতিবাজ পুঁজিপতি হিসেবে প্রচার করে আসছে। তবে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালে গণমুখী কিছু পদক্ষেপের জন্য গ্রামীন জনপদে বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে তার।
ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে ২০০৮ সালে কারাদণ্ড হওয়ার পর সেচ্ছায় নির্বাসনে যান পুয়ে থাই পার্টির সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত। তবে বিদেশে অবস্থান করেও ইংলাক সরকারে তিনি প্রভাব রেখে আসছিলেন বলে বিরোধীদের অভিযোগ।

শেয়ার