১৭ লাখ টাকা আদায়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ॥ মণিরামপুরে সিদ্দিকিয়া ব্রিকসে অবৈধভাবে ইট উৎপাদন

it vhata
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরের মণিরামপুরের সিদ্দিকিয়া ব্রিকসের সত্ত্বাধিকারী গোলাম রসুল ইটভাটা বন্ধ করে দিলেও তার ব্যবসায়ীক অংশীদাররা প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে ইট উৎপাদন করছে। এ বিষয়ে তিনি কয়েকবার প্রশাসনের দারস্থ হলেও কার্যকরী ফল পাননি। বুধবার প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। গোলাম রসুল লিখিত বক্তব্য বলেন, সিদ্দিকিয়া ব্রিকসে তিনিসহ ৫ জন অংশীদার রয়েছেন। তবে এ প্রতিষ্ঠানে সবচে বেশি ১৭ লাখ টাকা বিনিয়োগ করায় সত্ত্বাধিকারী হিসেবে গোলাম রসুলের নামে লাইসেন্স করা হয়। প্রথম দুই বছর ৪ অংশীদার হয়রত আলী তার ভাই জমির উদ্দিন, আব্দুল মান্নান ও আব্দুর রাজ্জাক আয় ব্যয়ে কোন হিসেবে না দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকে। এমনকি তার বিনিয়োগকৃত ১৭ হাজার টাকাও ফেরত দেয়নি বলে অভিযোগ। এছাড়া গোলাম রসুলের নামে সিদ্দিকিয়া ব্রিকসের লাইসেন্স হওয়ায় বকেয়া থাকা ভ্যাট আদায়ে যশোর কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ তার নামে মামলা করেছে। ২০১৩ সালের ২৭ জুন ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা আদায়ে এ মামলা করা হয়।
গোলাম রসুল আর জানান, একদিকে তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে বিতাড়িত। আবার অংশীদার হিসেবে ১৭ লাখ টাকা ফেরত পাচ্ছে না। অন্যদিকে কাস্টমস বিভাগের ভ্যাট অনাদায়ী মামলার ঘানি টানতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আর্থিক অনটানের কারণে ২০০৩-১৪, ২০১৪-১৫. এবং ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ইট ভাটা বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি তিনি জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগকেও অবহিত করেছেন। কিন্তু আইন অমান্য করে অপর ৪ অংশীদার জোগসাজে অবৈধভাবে ইট প্রস্তুত করছে এবং প্রকাশ্যে বিক্রি করছে। প্রশাসন তাকে সত্ত্বাধিকারী বলে ভ্যাট আদায়ের মামলা দিলেও অবৈধভাবে ইট প্রস্তুত করে বিক্রি করার খবর জানানো হলে সেভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে তিনি ইটভাটায় পড়ে থাকা ১৭ লাখ টাকাও আদায় করতে পারছেন না। আবার অবৈধভাবে ইট প্রস্তুত করায় সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট মহলের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

শেয়ার