“চিকিৎসা দিতে চাইলে হাসপাতালে থাকবেন, মাস্তানি করলে রাস্তায় যান”

doctor
সমাজের কথা ডেস্ক॥ অসুস্থ সাংবাদিককে চিকিত্সা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় রাজশাহী মেডিকেলের শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের সনদ না দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট। চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে আদালত বলে, চিকিৎসা দিতে চাইলে হাসপাতালে থাকবেন। আর মাস্তানি করতে হলে রাস্তায় যান। আদেশে সাংবাদিককে চিকিৎসা না দেয়ার ঘটনায় হতাশাও ব্যক্ত করে আদালত।
এছাড়া গত মঙ্গলবার ঢাকা মেডিকেলে ছাত্রদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বন্ধ করে দেয়ায়ও উষ্মা প্রকাশ করেছে আদালত।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা না দিয়ে অসুস্থ এক সাংবাদিককে ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়ে একটি দৈনিকের এক প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বৃহস্পতিবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এবিএম আলতাফ হোসেনের বেঞ্চ এ বিষয়ে রুল জারি করে।
কোন ক্ষমতা বলে ওই শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা সাংবাদিককে চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং চিকিত্সা দিতে অস্বীকৃতি জানানো ওই শিক্ষানবিশ চিকিত্সকদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না, রুলে তা জানাতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি ওই শিক্ষানবিশ চিকিত্সকদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, তা আগামী ২৫ মের মধ্যে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও রাজশাহী মেডিকেলের পরিচালককে বলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিএমডিসির সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রাজশাহী মেডিকেলের পরিচালক, রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালত বলেছে, বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষানবিশ চিকিত্সকরা সীমা অতিক্রম করেছে। সম্প্রতি ঢাকা মেডিকেলে তারা সংঘাতে জড়িয়েছে।
‘ডক্টরস ওন্ট ট্রিট জার্নোজ’ শিরোনামে ডেইলি স্টারে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এই আদেশ দেয় আদালত।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, চিকিত্সা নিতে গেলে রাজশাহীর স্থানীয় দৈনিক নতুন প্রভাতের ফটো সাংবাদিক গুলবার আলী জুয়েলকে বলা হয়, এখানে সাংবাদিকদের চিকিৎ্সা দেয়া হয় না। ঢাকা বা অন্য কোথাও যান।

শেয়ার