মণিরামপুরে বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে নিম্নমানের খাবার তৈরি হচ্ছে

vegal khabar
রোহিতা (মণিরামপুর) প্রতিনিধি॥ অস্বাস্থ্যকর ও নৈাংরা পরিবেশে নিম্নমানের রুটি, বিস্কুট, কেক, ভাজাসহ বিভিন্ন প্রকার খাবার তৈরি হ”ছে মণিরামপরু, রাজগঞ্জ, জালালপুর, কদমবাড়িয়া ও টেংরামারীর বেকারীগুলোতে। পাইকারদের হাত ঘুরে তা চলে যা”ছে পুরো মণিরামপুর, ঝিকরগাছা, সদর উপজেলার দণিাঞ্চলসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে। দেদারসে বিক্রি হ”ছে বিভিন্ন নামে। নামকরা কোম্পানির চেয়ে দাম কিছুটা কম হওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাপক চাহিদাও রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ এ ধরণের খবার খাওয়াকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করলেও এদিকে তেমন কোনো নজর নেই বেকারী মালিকদের ।
মণিরামপুর উপজেলার ছোট-বড় ২০টির মতো বেকারী রয়েছে। এগুলোতে সারাবছরই রুটি, বিস্কুট, কেক, ভাজাসহ বিভিন্ন প্রকার খাবার তৈরি হয়। এসব খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হ”ছে পোকাপড়া ময়দা ও নি¤œমানের পামওয়েল। পামওয়েল গলানোর জন্য ড্রামে বৈদ্যুতিক ভাল্ব জ্বালিয়ে রাখা হয়। মেশানো হয় তিকারক রঙ।
ভাঙ্গাচোরা ঘরের মধ্েয স্যাঁতস্যাঁতে জায়গা। কর্মচারীদের কারও উদম শরীর, কারও আবার অপরিচ্ছন্ন পোশাক পরা। খালি হাতেই তৈরি হয় মজাদার এসব খাবার। তারা মাস্ক, গ্লাভস, ব্যবহারের প্রয়োজন মনে করে না। কর্মচারীদের গায়ের ঘাম, ময়লা, ধুলাবালি মিশে যা”ছে খাবারে। এমনকি মাঝে মাঝে হাতের বদলে পা দিয়ে মাড়িয়েও খাবার বানানো হয়। বেকারীগুলোতে কুকুর, বিড়াল, হাঁস-মুরগিসহ পশু-পাখির অবাধ আসা-যাওয়া। তৈজসপত্রগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না, ধুলাবালিতো আছেই। তবে কারিগরদের দাবিÑ যতটুকু সম্ভব নিয়ম মেনে, মান বজায় রেখে স্বাস্থ্যসম্মতভাবেই খাবার তৈরি হ”ছে।

শেয়ার