খুলনায় আইটি পার্ক স্থাপন প্রচেষ্টা অব্যাহত

kh
সমাজের কথা ডেস্ক॥ প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলেছেন, খুলনায় একটি আইটি পার্ক স্থাপনের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এটি হলে এ অঞ্চলের মানুষ যেমন উপকৃত হবেন, তেমন দেশেরও উন্নতি হবে। নতুন শিল্পের সুযোগ এ অঞ্চলে আরো আসা উচিত।

সোমবার সকাল ১০টায় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অডিটরিয়ামে দিনব্যাপী মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অনেক প্রযুক্তিবিদ সৃষ্টি হবে বলে আশাবাদও ব্যক্ত করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা বলেন, আগে মোবাইল ফোন একক মালিকানায় ছিল এবং সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল। ১৯৯৬ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে মোবাইল ফোন সবার কাছে সহজলভ্য করে। এটা ছিল একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি লাভ করেছে।

তিনি বলেন, অগ্রগতির ক্ষেত্রে যারা বাধা দেয়, তারা দেশের শত্রু।

তিনি সংকীর্ণ মন-মানসিকতা পরিহার করে দেশের জন্য কাজ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

এতে সভাপতিত্ব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের কর্মসূচি পরিচালক ড. মো. আলমগীর হাসান।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কুয়েট ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শিবেন্দ্র শেখর বিশ্বাস, জেলা প্রশাসক আনিস মাহমুদ এবং পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান।

এ কর্মসূচিতে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৪০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করছেন।

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার জন্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও তৃণমূল পর্যায়ের বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন বিষয়ক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানকে বিশেষভাবে গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।

নীতি-নির্ধারণ পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টি ও জনসাধারণের ব্যবহারের মাত্রা বাড়াতে ব্যাপক প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন সরকারের ‘রূপকল্প ২০২১: ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। এর ফলে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিশ্বমানের আইসিটি পেশাজীবী তৈরি হবে।

একটি সমৃদ্ধ সফটওয়্যার শিল্প গড়ে উঠলে তা অভ্যন্তরীণ ও বিশ্ববাজারের চাহিদা মেটাতে, বৈদেশিক বাণিজ্য থেকে আয় বাড়াতে, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এবং আমদানি নির্ভরশীলতা কমাতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার