গলাচিপায় লঞ্চডুবি: ১৩ জনের লাশ উদ্ধার

patuakhali
সমাজের কথা ডেস্ক॥ কালবৈশাখী ঝড়ে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া নদীতে লঞ্চ ডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ তে দাঁড়িয়েছে। এঘটনায় আরও ৬ যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।

রোববার ভোরে উদ্ধার কাজ শুরু হলে সকাল ৭টা পর্যন্ত নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আরও চারজনের লাশ উদ্ধার করেছে। এর আগে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী ৮ যাত্রীর লাশ উদ্ধার করে।

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক অমিতাভ সরকার বাংলানিউজকে বলেন, সকাল ১০টা পর্যন্ত নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৫ জনের লাশ উদ্ধার করেছে। এ নিয়ে ১৩ জনের লাশ উদ্ধার হলো।

এর আগে রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ শুরু করে।

এদিকে নিহতদের মধ্যে কলাপাড়ার মাছুয়া খালী গ্রামের শিশু রিয়াদ (৫), মনোয়ারা (৫০), লুৎফা (৫০), রুনিয়া (২০) এবং নারায়ণ হাওলাদারের (৬০) পরিচয় পাওয়া গেছে।

কলাগাছিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এস আই হালিম খন্দকার নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এমভি শাথিল লঞ্চটি গলাচিপা থেকে পটুয়াখালীর উদ্দেশে ছেড়ে আসে। পথে ইছাদি মিয়া বাড়ির মোড় অতিক্রম করার সময় কালবৈশাখীর কবলে পড়ে লঞ্চটি ডুবে যায়।

স্থানীয় জনতা ও ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে পাঁচ নারী ও দুই শিশুসহ মোট আট যাত্রীর লাশ উদ্ধার করে। এরপর বৈরী আবহাওয়া ও উদ্ধারকারী জাহাজ না পৌঁছায় শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উদ্ধার কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।

গলাচিপা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী সায়েমুজ্জামান বাংলানিউজকে জানান, বরিশাল থেকে রওয়ানা হওয়া উদ্ধারকারী জাহাজ এমভি হামজা ঘটনাস্থলে আসতে আরও তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগবে।

শেয়ার