দেবহাটার কেওড়াতলায় পুলিশের সাথে জামায়াত-শিবিরের বন্দুকযুদ্ধে একাধিক মামলার আসামি সিরাজুল নিহত॥ দুই পুলিশ আহত

gun fight
সিরাজুল ইসলাম/আব্দুল জলিল/ রবিউল ইসলাম, সাতক্ষীরা॥ সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পাতনার বিলের কেওড়াতলায় মঙ্গলবার ভোরে পুলিশের সাথে জামায়াত-শিবিরের বন্দুকযুদ্ধে খুন ও নাশকতাসহ একাধিক মামলার আসামি সিরাজুল ইসলাম নিহত হয়েছেন। এ সময় গোলাগুলি ও বোমা বিস্ফোরণে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বোমার আঘাতে জামিরুল ইসলাম ও মঈনুদ্দিন নামে পুলিশের দুই কনস্টেল গুরুতর আহন হন। নিহত সিরাজুর জায়ায়াতের সক্রিয় এই ক্যাডার ছিলেন। তিনি উপজেলার চিলেডাঙা গ্রামের মৃত বাবর আলী সরদারের ছেলে। তবে নিহতের স্বজনদের অভিযোগ পুলিশ প্রভাবিত হয়ে তাকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী জামাল উদ্দিন জানান, আওয়ামী লীগ নেতা আবু রায়হান হত্যা, গাছ কাটা রাস্তাকাটাসহ সহিংসতার কয়েকটি মামলার সন্দিগ্ধ আসামি জামায়াত কর্মী সিরাজুল ইসলাম গোলাগুলিতে নিহত হয়েছেন। তার নেতৃত্বে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডার বাহিনী কেওড়াতলায় গোপন বৈঠক করছিল। তারা সহিংসতার পরিকল্পনা করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জামায়াত শিবিরের দুর্বৃত্তরা অনন্ত: ৮/১০টি ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশের দুই সদস্য গুরুতর আহত হলে পুলিশও ১০ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে সিরাজুল ইসলামকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এদিকে নিহতের স্বজনরা জানান, সিরাজুল ইসলাম একজন সবজি ব্যবসায়ি। সম্প্রতি জামায়াত থেকে আওয়ামী লীগের যোগদানকারী জনৈক ব্যক্তির সাথে তার পারিবারিক বিরোধ ছিল। এরজের ধরে সোমবার সন্ধ্যায় সিরাজুলকে ধরে নিয়ে মারপিট করে পুলিশে দেয় তারা। মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ সিরাজুলের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে। তাদের অভিযোগ পুলিশ প্রভাবিত হয়ে ঠান্ডা মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করে বন্দুকযুদ্ধের কল্প কাহিনী প্রচার করছে।

শেয়ার