১৯ লাখ টাকা তথ্য গোপনের অভিযোগ ॥ হিসাব রক্ষণ অফিসের অডিটরের স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

mamla
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ সম্পদ গোপন মিথ্যা তথ্য দেয়ার অভিযোগে প্রধান হিসাব রক্ষণ অফিসের অডিটরের স্ত্রী অয়েশা খাতুনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তিনি সাড়ে ১৯ লাখ টাকার তথ্য গোপন করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। যশোরের সহকারী পরিচালক আমিনুর রহমান সোমবার কোতয়ালি মডেল থানায় এ মামলা করেন। বর্তমানে তিনি যশোর শহরের ৮৭৫ পূর্ব বারান্দীপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
জানাগেছে, মণিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের গোলাম রসুল বর্তমানে তিনি প্রধান হিসাব রক্ষণ কার্যালয় ঢাকার সেগুন বাগিচার অধিন (ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের) দায়িত্ব প্রাপ্ত অডিটর হিসেবে চাকরি করছেন। ১৯৯৭ সালে তিনি যশোর জেলা হিসাব রক্ষণ কার্যালয়ের অডিটর হিসেবে চাকরি করতেন। ওই সময়ে শহরের পূর্ব বারান্দীপাড়া এলাকায় ১৯৯৭ ও ১৯৯৯ সালে যথাক্রমে (৯৯৬৪/৯৭ ও ১১৬৯৬/৯৯) দু’টি দলিল মূলে ১০.১০ শতক জমি ক্রয় করেন। ২০১২ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে তিনি সেখানে একটি তিনতলা বাড়ি নির্মাণ করেন। জমিটি গোলাম রসুল এবং তার স্ত্রী আয়েশা খাতুনের নামে যৌথভাবে দলিল করেন। বাড়িটি নির্মাণে তাদের ব্যয় হয় ৬৪ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৯৪ টাকা। যেহেতু বাড়ির জমি তাদের স্বামী-স্ত্রী দু’জনের নামে জমি ও বাড়ির অর্ধেক ৫ দশমিক ৫ শতক জমির মালিক তার স্ত্রী আয়েশা খাতুন। অভিযোগের ভিত্তিতে আয়েশা খাতুন ২০১২ সালের ৩১ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনে তার আয় ও বাড়ি নির্মাণে ব্যয় দেখিয়েছেন ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত কার্যালয় যশোর বিষয়টি তদন্তকালে জানতে পারে। এর পরে গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলী দিয়ে বাড়ি নির্মাণের খরচ নিরূপন করা হয়। কিন্তু বাড়ি নির্মাণে এবং আয়েশা খাতুনের দেখানো সম্পদের হিসাব বিবরণীতে ১৯ লাখ ২৩ হাজার ৫৬৮ টাকা ৫০ পয়সার সম্পত্তি গোপন করেছেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। সে কারণে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন এবং সংরক্ষণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। ওই মামলায় শুধু মাত্র আয়েশো খাতুনকে আসামি করা হয়েছে।

শেয়ার