রাজধানীতে বড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিলো!

kamalapur
সমাজের কথা ডেস্ক॥ রাজধানীতে বড় ধরনের নাশকতা ঘটাতে ব্যবহৃত হতো সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে উদ্ধার হওয়া অত্যাধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ, এমনটাই দাবি করেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা নিয়েই রাজধানীতে এসব অস্ত্র ঢোকানো হচ্ছিলো বলে মনে করেন তারা।

সোমবার দুপুরে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে অত্যাধুনিক একে-২২ রাইফেল, দু’টি ম্যাগজিন, ৮ রাউন্ড গুলি, ১০টি ডেটোনেটর, তিনটি কমান্ডো নাইফ ও ১০টি পাওয়ার জেলসহ দু’জনকে আটক করে জিআরপি (রেলওয়ে) পুলিশ।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনার পর বিকেল থেকেই কমলাপুর এলাকাসহ পুরো স্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জিআরপি কমলাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মজিদ বাংলানিউজকে বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আটক শামিম ওরফে আব্দুল্লার (৩৫) বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। তাকে আমরা সন্দেহের মধ্যে রেখেছি। সে কোন উগ্রবাদী সংগঠন বা কোনো ধর্মীয় সংগঠনের সঙ্গে জড়িত কিনা তা আমরা খতিয়ে দেখা শুরু করেছি। আটক অপর ব্যক্তি নুরুল ইসলামের (৩০) বাড়ি পঞ্চগড় জেলায় বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, এসব অস্ত্র নিয়ে আসার একটিই উদ্দেশ্য, আর সেটি হলো রাজধানীতে বড় ধরনের নাশকতা ঘটানোর পরিকল্পনা।

তিনি বলেন, অত্যাধুনিক একে ২২ রাইফেল দিয়ে পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করা যায়। এই অত্যাধুনিক অস্ত্র পুলিশের কাছেও পর্যাপ্ত নয়। এছাড়া যেগুলো বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে তা বেশ উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন। এ থেকেই নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে যে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা নাশকতার পরিকল্পনা থেকেই এই অস্ত্র ও বিস্ফোরক রাজধানীতে নিয়ে আসা হয়। তবে এ ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে হবে বলে জানান তিনি।

ওসি আব্দুল মজিদ বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাবে বলে মনে করছি।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা থানা ও পুরো কমলাপুর স্টেশনের নিরাপত্তা বাড়িয়ে দিয়েছি। পাশাপাশি সন্দেহভাজনদের তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা করা হচ্ছে।

শেয়ার