কালবৈশাখীর তাণ্ডবে নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ ও রাজবাড়ীতে নিহত ১৪

dis
সমাজের কথা ডেস্ক॥ কালবৈশাখী ঝড়ের তা-বে নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ ও রাজবাড়ীতে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার গভীররাত থেকে সোমবার সকালের মধ্যে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

নেত্রকোনা ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট আয়নাল হক জানান, নেত্রকোনার কলমাকান্দা, মোহনগঞ্জ, সদর ও বারহাট্টা উপজেলায় মা ও তিন সন্তানসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরো ৪ শতাধিক।

নিহতরা হলেন-বিষমপুর গ্রামের আফরোজা বেগম (২২), তার সৎ ছেলে সাগর (১০), রাসেল (৭) ও রানা (২) , নয়নগরের মামুন (১২), আনন্দপুর গ্রামের জুনু মিয়ার স্ত্রী দিপ্তী বেগম (৬০) ও রানিগাঁওয়ের আহালের মা (৫০), মোহনগঞ্জের সোমা (৯), সদর উপজেলার কদম আলী মুন্সি (৮৫) এবং বারহাট্টার এমদাদ (৩০) ।

জেলা প্রশাসক ড. আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম জানান, রাতে ঝড়ের সময় মোতালিব মিয়ার স্ত্রী আফরোজা ৩ ছেলে নিয়ে আধাপাকা ঘরের ভেতর অবস্থান করছিলেন। এসময় ঘরের ছাউনি উড়ে যায় ও দেয়াল ভেঙে তাদের উপর পড়লে ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান।

ওসি আরো জানান, একই উপজেলার নয়নগর গ্রামে কাল বৈশাখী ঝড়ে গাছ ভেঙে মামুন নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার দিনগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, জেলার বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে অসংখ্য কাঁচা ও আধাপাকা বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া ফসলেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

খবর পেয়ে সকালে কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম ও উপজেলার নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওহিদুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

সুনামগঞ্জ ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট শাহজাহান চৌধুরী জানান, সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মহদিপুরের শামসুল হক (৬৫), একই উপজেলার গুল্লারাজাপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে দিতি (১০) ও একই গ্রামের কাচু মিয়া (৪০)।

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) উপজেলা করেসপন্ডেন্ট শিকদার মুহম্মদ আসজাদ হোসেন আজু জানান, গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া এলাকায় পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ফরিদ শেখ (৩০) নামে এক জেলে নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন তার ছোট ভাই মো. ফরহাদ শেখ (২৫)।

তারা পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার মহনগঞ্জ গ্রামের মৃত জুলহাস শেখের ছেলে।

সোমবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

শেয়ার