যুদ্ধ চাই না, তবে প্রতিরোধের সক্ষমতা থাকা চাই: প্রধানমন্ত্রী

PM
সমাজের কথা ডেস্ক॥ যুদ্ধ না চাইলেও সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে তা প্রতিরোধের সক্ষম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা কারো সাথে যুদ্ধ করতে চাই না। শান্তি চাই।
“তবে কেউ যদি সার্বভৌমত্বে আঘাত করতে চায়, প্রতিঘাত করার মতো সক্ষমতা আমাদের থাকতে হবে।”
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা কারো প্রতি নির্ভরশীল না। আমরা কারো কাছে হাত পেতে না, আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসাবে থাকতে চাই।
“সমস্যাও আছে, সম্ভাবনাও আছে। সমস্যা দেখে হতাশ হলে চলবে না। সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। কোনো বাধাই আমাদের আটকাতে পারবে না।”
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে সশস্ত্র বাহিনী, মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো), জরিপ অধিদপ্তর এবং আবহাওয়া অধিদপ্তর থাকায় এই মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারেক আহমেদ সিদ্দিক, তিন বাহিনীর প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন।
সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের তাগিদ দেয়ার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “মন্ত্রণালয়ে বসে তো রুটিন ওয়ার্ক হয়। বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। সেজন্য, তাল মিলিয়ে সকলকে কাজ করতে হবে।”
টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার প্রধানের দায়িত্বে আসা শেখ হাসিনা সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, “আমরা জনগণের ভোট নিয়ে পাঁচ বছরের জন্য আসি। আপনারা থাকেন দীর্ঘ সময়ে। এজন্য সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।”
পাঁচ বছরের সরকারের মেয়াদকে উন্নয়নের জন্য সীমিত সময় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা চাই, কত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব, কত দ্রুত বাস্তবায়ন করব। এই বাস্তবায়ন নির্ভর করে আপনাদের (সরকারি কর্মকর্তা) ওপর। একটা মুহূর্ত নষ্ট করার মতো সময় আমাদের নেই।”
উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সরকারি কর্মকর্তাসহ সকলের সহযোগিতা পেয়েছিলো বলেই কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, সরকারের নেওয়া দীর্ঘ, মধ্য ও স্বল্প মেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে ২০২১ সালে মধ্য আয়ের নয়, বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে।

শেয়ার