যশোরে বস্তি শুমারি ও ভাসমান লোকগণনা কার্যক্রম শুরু

bosti shumari
সারাদেশের মতো যশোরেরও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বস্তি শুমারি ও ভাসমান লোকগণনা ২০১৪ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কার্যক্রম শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার সময় শহরের রেলস্টেশন এলাকার ভাসমান লোক গণনার মাধ্যমে এই কর্মসূচী শুরু করা হয়েছে।
যশোর জেলা শুমারি সমন্বয়কারী ও জেলা পরসিংখ্যান অফিসের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মুহাম্মদ মিঝানুর রহমান হাওলাদারের নেতৃত্বে জোনাল অফিসার মাহাবুবুল আলম ও আমজাদ হোসেন গণনায় সহযোগিতা করেন। এছাড়া রাতে যশোর মনিহার, পালবাড়ী, দড়াটানাসহ যেসব এলকায় ভাসমান লোক থাকে তাদের গত রাতে গণনা করা হয়। দ্বিতীয় দিন গতকাল সকাল ৯ টা হতে যশোর জেলার সকল বস্তি এলকায় নিযোজিত গণনকারীগণ তথ্য সংগ্রহের কাজ করেন। আগামী ২ মে পর্যন্ত চলবে শহরের বিভিন্ন বস্তিতে তথ্য সংগ্রহের কাজ। এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্বাধীনতা পূর্বকাল হতেই বিপুল সংখ্যক ভূমিহীন, ছিন্নমূল ও বেকার মানুষ জীবিকার সন্ধানে গ্রাম হতে শহরের দিকে ধাবিত হয় এবং অর্থের অভাবে তারা নিম্নমানের জীবনযাপন ও বস্তিতে বসবাস শুরু করে। স্বাধীনতা পরবর্তীতে এ সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং ৮০’র দশকে দেশের বৃহৎ শহরগুলোতে এর বাপক উপস্থিতি ল্য করা যায়। এ পরিস্থতিতে গবেষক ও নীতি নির্ধারকরা বস্তি বিষয়ক বিস্তারিত তথ্যের প্রয়োজনীয়তা বোধ করেন। এই তথ্যের চাহিদা পূরণের লক্ষে বিবিএস ১৯৮৫ -৮৬ সালে প্রথম দেশের চারটি বৃহৎ শহর যথাক্রমে ঢাকা, চট্রগ্রাম. খুলনা ও বাজশাহীতে বস্তি শুমারির কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করে। ১৯৯৭ সালে দেশে সকল শহর এলাকায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ বস্তি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে বস্তিবাসীদের খাদ্য নিরাপত্তার ওপর এক জরিপ অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৪ সালে দেশের সকল শহরাঞ্চলে দ্বিতীয় বস্তি শুমারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

শেয়ার