৯ বছরে মাতৃমৃত্যু হার কমেছে ৪০ শতাংশ

Sirin
সমাজের কথা ডেস্ক॥ বাংলাদেশে বিগত ৯ বছরে মাতৃমৃত্যুর হার কমেছে ৪০ শতাংশ। সরকার প্রজনন স্বাস্থ্য খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

এরই অংশ হিসেবে ২০১৫ সালের মধ্যে মাতৃমৃত্যু হার প্রতি লাখে ১৪৩ জন অর্থাৎ ১ দশমিক ৪৩ শতাংশে কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লাখে ১৯৪ জন অর্থাৎ ১ দশমিক ৯৪ শতাংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন স্পিকার।

সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে সুইডেন পার্লামেন্ট রিকস্ডাগ ভবনে ৬ষ্ঠ ‘ইন্টারন্যাশনাল পার্লামেন্টারিয়ানস কনফারেন্স অন দা ইমপ্লিমেন্টেশন অব দা আইসিপিডি প্রোগ্রাম অব অ্যাকশন-২০১৪ (আইপিসিআই)’ এর ‘উন্নয়ন পরিকল্পনায় প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়কে অন্তর্ভুক্তকরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের গণসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব কথা জানানো হয়।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা খাতের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। প্রজনন স্বাস্থ্য খাতে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রজনন স্বাস্থ্য খাতের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ায় নারী শিক্ষার উন্নয়ন ঘটেছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী খাতে উন্নয়নের ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। ফলে পরিবার, সন্তান-সন্ততি এবং সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে।

তিনি বলেন, যে কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনায় প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা খাতকে অন্তর্ভুক্ত করলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। নারীদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ালে নারীরা আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক সকল ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারে এবং পুরুষের পাশাপাশি নারীরা সকল উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সমান অংশীদার হতে পারে। অধিকার নির্ভর ও জেন্ডার সংবেদনশীল নীতিমালা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার মধ্যে গতিশীলতা আনয়ন করে এবং তাদের সকল উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে।

শেয়ার