নাভারণ-মুন্সিগঞ্জ ভায়া সাতক্ষীরা রেললাইন স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কলারোয়ায় মতবিনিময়

rail line
কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি॥ নাভারণ-মুন্সিগঞ্জ ভায়া সাতক্ষীরা রেললাইন স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা কলারোয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও অনুপ কুমার তালুকদার। উপস্থিত ছিলেন নাভারণ-মুন্সিগঞ্জ ভায়া সাতক্ষীরা রেললাইন স্থাপন প্রকল্প’র সিনিয়র সোসিওলজিস্ট ড: বহ্নিশিখা দাস পুরকায়স্থ (পিএইচডি), সার্ভেয়ার মোছলেমা আক্তার মুন্নী, উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম এ ফারুক, ইউপি চেয়ারম্যান এসএম শহিদুল ইসলাম, ভুট্টো লাল গাইন, অধ্যাপক এমএ কালাম, স,ম মোরশেদ আলী, আব্দুর রকিব মোল্যা, মোয়াজ্জেম হোসেন, ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফিরোজ আহমেদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্বপন কুমার খা, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুর রহিম, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার আবেদুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, পিছিয়ে পড়া এ উপজেলার উন্নয়নের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। আর এ জন্য রেল লাইন এখন সময়ের দাবি। এ অঞ্চলের মাছসহ কৃষি পণ্য প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে। বক্তারা আরো বলেন, রেললাইন স্থাপনের ক্ষেত্রে এখানে কোন প্রতিবন্ধকতা নেই। পরিবেশ বা সামাজিক কোন সমস্যা এর মাধ্যমে সৃষ্টি হওয়ারও কোন সম্ভাবনা নেই। বরং এগুলো আরো উন্নত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। বক্তারা রেললাইনের রুট যাতে উপজেলার সবচেয়ে নিকটবর্তী ও সুবিধাজনক স্থান দিয়ে তৈরি করা হয় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপ কুমার তালুকদার বলেন, সাতীরায় রেল লাইন স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার তালিকাভুক্ত প্রকল্প। নাভারণ, কলারোয়া, কুলিয়া, পারুলিয়া হয়ে মুন্সিগঞ্জ। তিনি আরও বলেন রেল লাইন স্থাপন হলে এ এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে। অল্প খরচে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিভিন্ন জায়গায় ন্যায্য মূল্যে পরিবহন করতে পারবে। এছাড়া এ রেললাইন স্থাপন হলে এ উপজেলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে। উল্লেখ্য, এই রেললাইন নির্মাণের কাজ নাভারণ হয়ে বাগআঁচড়ার পরে কলারোয়া উপজেলার কোটা, নাকিলা, কাউরিয়া, ব্রজবাকসা, গণপতিপুর, দামোদরকাটি, রুদ্রপুর, লাঙ্গলঝাড়া, দরবাসা ও খাসপুর মৌজার ওপর দিয়ে সাতক্ষীরা অভিমুখে যাবে বলে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে।

শেয়ার