জামায়াত শিবিরের ২৩ নেতা জেল হাজতে প্রেরণ

karagar
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বুধবার পৃথক দু’টি মামলায় হাজিরা দিতে আসা জামায়াত শিবিরের ২২ নেতারকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া উপশহর থেকে ইছালী ইউপি জামায়াতের সভাপতিকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলেন, সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মাওলানা সাইফুর রহমান, নরেন্দ্রপুর ইউপি’র সভাপতি আমিনুর রহমান, ইছালী ইউপি’র সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান, কচুয়া গ্রামের জামাল উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম, বুলবুল আহম্মেদ, গোলাম গাজী, আব্দুল কাদির, জিন্নাহ মাস্টার, রুহুল আমিন, ওমেদ আলী, শাখারীগাতি গ্রামের তরিকুল ইসলাম, হোগলাডাঙ্গা গ্রামের মুকুল হোসেন, নজরুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, জিরাট গ্রামের আবু জাফর, ইব্রাহিম, মামুন, দেয়াপাড়ার ইকবাল হোসেন, রুপদিয়ার ওমর আলী, খবির খান ও সজিব।
সূত্রে জানাগেছে, যশোরে সম্প্রতি জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা নাশকতার উদ্দেশ্যে সাংগঠনিকভাবে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা করে আসছিল। বিষয়টি আচঁ করতে পেরে পুলিশ মঙ্গলবার থেকে সারা জেলায় অভিযান শুরু করে। প্রথম দিন ২০ জন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীসহ প্রায় অর্ধশত লোক আটক করে। বুধবার বসুন্দিয়া ও নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর ২২ নেতাকর্মী যশোর আদালতে জামিন নেয়ার জন্য আসে। তাদের মধ্যে ১৩ জনের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেন বিচারক। বাকিদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করা হয়। তবে তাদের অন্য একটি নাশকতা মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।
উল্লেখ্য আটককৃত বসুন্দিয়া, নরেন্দ্রপুর ও ইছালী ইউনিয়ন জামায়াতের নেতাকর্মীরা গত বছরে যশোর-খুলনা এবং যশোর-মাগুরা মহাসড়কে অবস্থান করে অবরোধের নামে পথচারিদের মারপিট, গাড়ি ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ এবং রাস্তার গাছ কেটে নেয়।
এদিন বিকেলে কোতোয়ালি থানার এসআই আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ইছালী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমানকে আটক করা হয়।

শেয়ার