যশোরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জামায়াতের ক্যাডার গুলিবিদ্ধ ॥ মামলা দায়ের ॥ আটক ৩

kedar
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জামায়াতের ক্যাডার মুসাহিদ হুসাইন (২৮) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ সময় তার কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ওই ক্যাডারদের ছোঁড়া বোমার স্পি­ন্টারে বুলবুল আহম্মেদ নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। পুলিশ এ ঘটনার সাথে জড়িত মুসাহিদ হুসাইনসহ আরো দু’জনকে আটক করেছে। মঙ্গলবার ভোররাতে শহরতলীর ঝুমঝুমপুর এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে পুলিশ কোতোয়ালি থানায় শহর জামায়াতের আমীর গোলাম রসুল এবং আটক তিনজনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। আটককৃতরা হলো, সদর উপজেলার বাউলিয়া গ্রামের মৃত শফিয়ার রহমানের ছেলে হাবিবুল্লাহ, বিরামপুর গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে আমিনুর রহমান। গুলিবিদ্ধ মুসাহিদ হুসাইন বাউলিয়া গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে এবং সিটি কলেজ ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি।
পুলিশ জানায়, যশোর শহর জামায়াতের আমীর গোলাম রসুলসহ ১০/১২ জন দলীয় ক্যাডারদের নিয়ে সোমবার গভীর রাতে শহরতলীর ঝুমঝুমপুর ময়লাখানা এলাকায় নাশকতার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশের একাধিক টিম ওই এলাকায় অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জামায়াতের ক্যাডাররা পুলিশকে লক্ষ্য করে ২/৩টি বোমা নিক্ষেপ করে। ওই বোমার স্পি­ন্টারে পুলিশ কনস্টেবল বুলবুল আহম্মেদ আহত হন। পুলিশ আত্মরক্ষায় ৪/৫ রাউন্ড গুলি করে। এ সময় জামায়াতের ক্যাডার মুসাহিদ হুমাইনের পায়ে গুলি লেগে মাটিতে পড়ে যায়। এ সময় তার সহযোগী গোলাম রসুলসহ অন্যরা পালিয়ে যায়। কিন্তু গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে আটক করা হয়। তার কোমরে থাকা একটি ওয়ান সুটারগান এবং এক রাউন্ড রাইফেলের গুলি উদ্ধার করা হয়। তাকে আটক অবস্থায় যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য মুসাহিদ হুসাইনের বিরুদ্ধে বোমা হামলা ও নাশকতা সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। দেড় মাস আগে তাকে অপর একটি নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছিল। সম্প্রতি জেল থেকে বেরিয়ে আবারো বিভিন্ন ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িয়ে পড়ে। তবে যশোর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাস্টার নুরুন্নবী জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ মুসাহিদ হুসাইন সিটি কলেজ ছাত্র শিবির এবং ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে জামায়াতের কর্মী।

শেয়ার