বিএনপির লংমার্চ ভারত বিরোধিতার জন্য

Surunjit
সমাজের কথা ডেস্ক॥ সুক্ষ্ম ভারত বিরোধিতার জন্যেই বৈশাখের খরতাপের সময় লংমার্চ কর্মসূচি বেছে নিয়েছে বিএনপি। এটা তাদের আন্দোলন নয় অপরাজনীতি।

সোমবার বেলা ১২ টায় ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটির রাউন্ড টেবিল মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধু একাডেমী’র আলোচনা সভায় এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

তিনি বলেন, তিস্তা নিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। দীর্ঘ কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে এ সমস্যার সমাধানে সরকারকে বিএনপির সহযোগিতা করা উচিত। কিন্তু তারা তা না করে ভারতের নির্বাচনকালীন সময়ে ভারত বিরোধিতা করে তাদের উস্কে দিচ্ছেন।

সুরঞ্জিত সেন বলেন, তিস্তা নিয়ে রাজনীতি করা ঠিক নয়। এ নিয়ে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। এজন্য লংমার্চ নয় ‘লং ডিপ্লোম্যাটিক’ সমঝোতা প্রয়োজন। ভারতের চলমান নির্বাচনের পরে যে সরকার মতায় আসবে তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা হবে। তারপর বিএনপির এ চাল মাঠে মারা যাবে।

তিনি বলেন, তারপরও কেউ এ নিয়ে রাজনীতি করতে চাইলে বা লংমার্চকে ভায়োলেন্স মার্চ বা অশান্তির মার্চ করতে চাইলে, সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

বেলা’র নির্বাহী রিজওয়ানা হাসানের স্বামীর অপহরণের বিষয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, অপহরণ ও গুম শুরু হয়েছে বিএনপির অপারেশন কিনহার্টের মধ্য দিয়ে। বেলা’র নির্বাহী রিজওয়ানা হাসানের স্বামী আবু বকরকে অপহরণ করা হয়েছে। ৩৫ ঘণ্টার মধ্যে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে এটা আশার খবর। তবে এ নিয়ে যে সব প্রশ্ন উঠেছে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জবাব আসা উচিত।

তিনি বলেন, বিরোধী দল কোনো গুম বা অপহরণ হলেই এর দায়ভার সরকারের উপর চাপাতে চায়। তিনি বলেন, এটা অভিনব অপহরণ। তাকে ফেরত দেওয়ার সময় ৩শ’ টাকা দিয়ে গেছে। এ রকম সংবেদনশীল ও দয়ালু অপরাধী পাওয়া কঠিন।

শেয়ার