সমুদ্রসীমায় মৎস্য সম্পদ পর্যবেক্ষণে কমিটি

Govt logo
সমাজের কথা ডেস্ক॥ বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় মৎস্য সম্পদ ও বাণিজ্যিক ট্রলারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রণালয়।

রোববার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশের সমুদ্র এলাকায় মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণকারী ট্রলার সংখ্যা সীমিত রাখার লক্ষ্যে এক আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে এ কমিটি বঙ্গোপসাগরের নিবিড় অর্থনৈতিক এলাকায় মৎস্য সম্পদের হালনাগাদ তথ্য, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে মৎস্য আরোহনের পরিমাণ বিষয়ে পরামর্শ, বিদেশি অননুমোদিত ট্রলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতি তিন মাস পর পর মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক এতে সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রী বলেন, এ দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা করতে হলে মৎস্য আহরণের পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় রাখা প্রয়োজন। আমাদের সমুদ্রসীমায় বর্তমানে ২২১টি ফিশিং ট্রলার বৈধ অনুমতি নিয়ে মাছ ধরে যাচ্ছে। তবে সম্পদের মাত্রা অনুযায়ী এ সংখ্যা ৭৫টির বেশি হওয়া উচিত নয়। সেজন্য ২০ থেকে ২৫ বছরের পুরনো ফিশিং ট্রলারগুলোর লাইসেন্স আর নবায়ণ করা হবে না।

তিনি বলেন, একইসঙ্গে পার্শ্ববর্তী দেশের কাঠের তৈরি কোনো ফিশিং ট্রলার যাতে পরিচয় গোপন করে এদেশের সমুদ্রসীমায় মাছ ধরতে না পারে এজন্য কাঠের তৈরি ফিশিং ট্রলারকে অনুমোদন দেওয়া হবে না। বিদেশি ট্রলারগুলোর বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় অনুপ্রবেশ রোধে সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোকে আরো তৎপর হওয়ার জন্য আহবান জানান মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. শেলিনা আফরোজাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার