সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস॥ পুলিশী অভিযানে ছাত্রসহ আটক ৭ দু’জনের ২ বছরের কারাদণ্ড

prosno pottro fash
সিরাজুল ইসলাম/ আব্দুল জলিল, সাতক্ষীরা॥ সাতক্ষীরায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ৫ ছাত্রসহ ৭জনকে আটকের পর দু’জনকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) এক কর্মকর্তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলার কাটিয়া এলাকার জনৈক তপনের বাড়ির ভাঁড়াটে বিনেরপোতা আব্দুর রহমান কলেজের প্রভাষক সুশান্ত’র বাসা থেকে তাদের আটক করে পুলিশ। পরে তাদের ভ্রাম্যমান আদালতে নেয়া হলে দু’জনের ২ বছর করে কারাদণ্ড দেন বিচারক। অন্যরা মুক্তির প্রক্রিয়ায় ছিলেন।
সদর থানার ওসি ইনামুল হক জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শ্যামনগর উপজেলার কলবাড়ি গ্রামের প্রভাষ চন্দ্র মন্ডলের ছেলে বিশ্বনাথ মন্ডল (৩২), একই উপজেলার বুড়িগোয়ালিনির মৃত ভরতচন্দ্র জোয়ারদারের ছেলে নিশিকান্ত জোয়ারদার (৩২), উপজেলার মুন্সিগঞ্জের আবু সাঈদ, পোড়াকাটলা গ্রামের সজীব ঘরামী, বুড়িগোয়ালিনী গ্রামের নিশিকান্ত জোয়াদ্দার, রাধারানী মৃধা, মনমোহিনী মৃধা, কলবাড়ী গ্রামের আবদুল্লাহ আল মামুন ও বিশ্বনাথ মন্ডলকে আটক করা হয়েছিল। তবে মূল হোতা আব্দুর রহমান কলেজের প্রভাষক সুশান্ত পালিয়ে যায়। আটককৃতদের মধ্যে বিশ্বনাথ মন্ডল ও নিশিকান্ত জোয়ারদার নামে দু’ব্যক্তিকে দু’বছর করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মো. রিজাউল করিম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের এ সাজা দেন। বাকী ৫ ছাত্রকে পুলিশ হেফাজতে পরীা দেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মো. রিজাউল করিম জানান, প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে দু’জনকে দু’বছর সাজা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বাকী ৫ ছাত্রকে পরিক্ষা না দিয়েই তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওসি ইনামুল হক এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিকের সহকারী শিক নিয়োগ পরীার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল।

শেয়ার