“যশোর-খুলনা মহাসড়কের সাড়ে ৩ কিলোমিটার আজও মেরামত হয়নি”

jessore khulna moha sadrak
সমাজের কথা ডেস্ক॥
যোগাযোগমন্ত্রী এসেছেন প্রকৌশলীদের সম্মেলনে। বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রকৌশলী সমিতির নেতারা দাবি দাওয়া তুলে ধরলেন। অনেক আশা ছিল, দাবি পূরণের আশ্বাস পাবেন প্রকৌশলী নেতারা। কিন্তু, ঘটলো তার বিপরীত। বক্তব্যে সবাইকে তোপের মুখে ফেললেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ভবনে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন দাবি দাওয়া তুলে ধরলে চরম তোপের মুখে পড়েন প্রকৌশলীরা।

প্রকৌশলী সমিতির বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সম্মেলনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে দেশব্যাপী সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন সড়ক কাঠামোর উন্নয়নের বিবরণ তুলে ধরেন প্রকৌশলীরা। একই সঙ্গে নিজেদের বিভিন্ন দাবি-ধাওয়াও মন্ত্রীর কাছে পেশ করেন তারা।

যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, একমাত্র ভোলা ছাড়া দেশের সবগুলো জেলাতেই আমি একাধিকবার গিয়েছি। যশোর-খুলনা মহাসড়কের ৬৫ কিলোমিটার সড়কের সাড়ে ৩ কিলোমিটারের বেহাল অবস্থা পরিদর্শন করেছি কয়েকবার। আজ পর্যন্তও সেটি মেরামত করা হয়নি।

প্রকৌশলীদের বিভিন্ন কর্মকান্ডে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি ক্ষুব্ধকণ্ঠে বলেন, আপনারা ঠিকাদারের কাজ না করার দোহাই দিচ্ছেন। প্রকৌশলীর দায়িত্ব ঠিকাদারকে দিয়ে
কাজ করানো। অনেক ঠিকাদার সময়মতো টাকা পান না। আবার প্রকৌশলীদের কাছের ঠিকাদার ঠিকই সব টাকা পেয়ে যান।

তিনি বলেন, আমি মাঠে গেলে কাজ করবো, নাকি ঠিকাদারদের অভিযোগ শুনবো? দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সড়কের ভালো-মন্দ অবস্থা জনগণ আমাকে ফোনে জানায়। অতএব আমাকে ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই।
সুনামের ভাগ নেবেন। ব্যর্থতার দায়ভার নেবেন না এটা হতে পারে না।

প্রকৌশলীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা মাঝে মাঝে আমাকে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে ফেলেন। বদলির জন্য রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগাতে চান। কেন করেন আমি জানি! অর্থের প্রয়োজনে আমার কাছে মানুষদের দিয়ে তদবির করান।

সম্মেলনে জনগণের দুর্ভোগের সার্বিক দিক বিবেচনা করে আগামী বর্ষা মৌসুম ও ঈদ পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিলের ঘোষণা দেন তিনি।

যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, তবে বিশেষ ও মানবিক কারণে ছুটি
মঞ্জুর করা হবে।

তিনি বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাজে অনেকটা স্বচ্ছতা ও সুদিন ফিরে এসেছে। এর অবদান সবার। কাজের মান আরো ভালো করতে হবে। তবে অতিরিক্ত মাল বোঝাই ট্রাক চলাচলের কারণে সড়ক ঠিক রাখা যাচ্ছে না। সড়ক ঠিক রাখার জন্য জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক কংক্রিট দিয়ে নির্মাণ করা হবে।

সড়কের গর্ত, ফাটল ও সংস্কার কাজের জন্য একশ দিনের কর্মসূচির ৬৫ শতাংশ সফল হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ৩৫ শতাংশ সফল করার ওপর জোর নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা ১১ থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে কার্যালয়ে আসেন। আবার ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে চলে যান। এসব কারা করেন সব আমার জানা।
সময় থাকতে শুধরে যান।

অতীতের কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এর আগে আপনারা বনভোজন নিয়ে আমাকে তোপের মুখে ফেলেছিলেন। আজ আপনারাই আমার কাছে দাবি তুলছেন। অনেক সতর্ক করেছি। দেশের উন্নয়নে সরকারের বাস্তব সিদ্ধন্ত নিতে কেউ খুশি বা বেজার হলে যায়-আসে না।

কাজ করতে গিয়ে দেশবাসীর অনেক সমালোচনা শুনে আমি শুধরেছি। অনেক প্রশংসিত হয়েছি। সুদিনের এই ধারায় ফিরে আসার পেছনে সাংবাদিকদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি।

সড়ক ও জনপথ প্রকৌশলী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিকরুল হাসান স্বাগত বক্তব্যে অনেকগুলো দাবি তুলে ধরায় মন্ত্রী চরম ক্ষুদ্ধ হন।

তিনি বলেন, স্বাগত বক্তব্য শুধুই স্বাগতম জানানোর জন্য। সেখানে অন্য কিছু থাকে না। এর আগেও দুবার আমি বলেছি, আপনার সেটা কর্ণপাত করেননি।

যোগাযোগমন্ত্রী এসেছেন প্রকৌশলীদের সম্মেলনে। বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রকৌশলী সমিতির নেতারা দাবি দাওয়া তুলে ধরলেন। অনেক আশা ছিল, দাবি পূরণের আশ্বাস পাবেন প্রকৌশলী নেতারা। কিন্তু, ঘটলো তার বিপরীত। বক্তব্যে সবাইকে তোপের মুখে ফেললেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ভবনে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন দাবি দাওয়া তুলে ধরলে চরম তোপের মুখে পড়েন প্রকৌশলীরা।

প্রকৌশলী সমিতির বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সম্মেলনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে দেশব্যাপী সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন সড়ক কাঠামোর উন্নয়নের বিবরণ তুলে ধরেন প্রকৌশলীরা। একই সঙ্গে নিজেদের বিভিন্ন দাবি-ধাওয়াও মন্ত্রীর কাছে পেশ করেন তারা।

যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, একমাত্র ভোলা ছাড়া দেশের সবগুলো জেলাতেই আমি একাধিকবার গিয়েছি। যশোর-খুলনা মহাসড়কের ৬৫ কিলোমিটার সড়কের সাড়ে ৩ কিলোমিটারের বেহাল অবস্থা পরিদর্শন করেছি কয়েকবার। আজ পর্যন্তও সেটি মেরামত করা হয়নি।

প্রকৌশলীদের বিভিন্ন কর্মকান্ডে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি ক্ষুব্ধকণ্ঠে বলেন, আপনারা ঠিকাদারের কাজ না করার দোহাই দিচ্ছেন। প্রকৌশলীর দায়িত্ব ঠিকাদারকে দিয়ে
কাজ করানো। অনেক ঠিকাদার সময়মতো টাকা পান না। আবার প্রকৌশলীদের কাছের ঠিকাদার ঠিকই সব টাকা পেয়ে যান।

তিনি বলেন, আমি মাঠে গেলে কাজ করবো, নাকি ঠিকাদারদের অভিযোগ শুনবো? দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সড়কের ভালো-মন্দ অবস্থা জনগণ আমাকে ফোনে জানায়। অতএব আমাকে ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই।
সুনামের ভাগ নেবেন। ব্যর্থতার দায়ভার নেবেন না এটা হতে পারে না।

প্রকৌশলীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা মাঝে মাঝে আমাকে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে ফেলেন। বদলির জন্য রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগাতে চান। কেন করেন আমি জানি! অর্থের প্রয়োজনে আমার কাছে মানুষদের দিয়ে তদবির করান।

সম্মেলনে জনগণের দুর্ভোগের সার্বিক দিক বিবেচনা করে আগামী বর্ষা মৌসুম ও ঈদ পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিলের ঘোষণা দেন তিনি।

যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, তবে বিশেষ ও মানবিক কারণে ছুটি
মঞ্জুর করা হবে।

তিনি বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাজে অনেকটা স্বচ্ছতা ও সুদিন ফিরে এসেছে। এর অবদান সবার। কাজের মান আরো ভালো করতে হবে। তবে অতিরিক্ত মাল বোঝাই ট্রাক চলাচলের কারণে সড়ক ঠিক রাখা যাচ্ছে না। সড়ক ঠিক রাখার জন্য জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক কংক্রিট দিয়ে নির্মাণ করা হবে।

সড়কের গর্ত, ফাটল ও সংস্কার কাজের জন্য একশ দিনের কর্মসূচির ৬৫ শতাংশ সফল হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ৩৫ শতাংশ সফল করার ওপর জোর নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা ১১ থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে কার্যালয়ে আসেন। আবার ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে চলে যান। এসব কারা করেন সব আমার জানা।
সময় থাকতে শুধরে যান।

অতীতের কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এর আগে আপনারা বনভোজন নিয়ে আমাকে তোপের মুখে ফেলেছিলেন। আজ আপনারাই আমার কাছে দাবি তুলছেন। অনেক সতর্ক করেছি। দেশের উন্নয়নে সরকারের বাস্তব সিদ্ধন্ত নিতে কেউ খুশি বা বেজার হলে যায়-আসে না।

কাজ করতে গিয়ে দেশবাসীর অনেক সমালোচনা শুনে আমি শুধরেছি। অনেক প্রশংসিত হয়েছি। সুদিনের এই ধারায় ফিরে আসার পেছনে সাংবাদিকদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি।

সড়ক ও জনপথ প্রকৌশলী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিকরুল হাসান স্বাগত বক্তব্যে অনেকগুলো দাবি তুলে ধরায় মন্ত্রী চরম ক্ষুদ্ধ হন।

তিনি বলেন, স্বাগত বক্তব্য শুধুই স্বাগতম জানানোর জন্য। সেখানে অন্য কিছু থাকে না। এর আগেও দুবার আমি বলেছি, আপনার সেটা কর্ণপাত করেননি।

শেয়ার