এভারেস্টে তুষার ধসে ১৪ শেরপা নিহত

evarest
সমাজের কথা ডেস্ক॥ সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে তুষার ধসে অন্তত ১৪ নেপালি পথপ্রদর্শক (গাইড) শেরপা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়।

এর মধ্যে ৯ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বরফের নিচে আটকে থাকা আরো পাঁচটি মৃতদেহ উদ্ধারের তৎপরতা চলছে।

এছাড়াও এ সময় আরো বেশ কয়েকজন শেরপা আহত হন। কয়েকজন এখনো নিখোঁজ আছেন।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মধুসূদন বোরলাকোটি সংবাদমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল পৌনে সাতটার দিকে বেসক্যাম্প-২ এর নিচে ‘পপকর্ন ফিল্ড’ এলাকায় এ তুষার ধসের ঘটনা ঘটে।

শেরপারা হিমালয়ের সর্বোচ্চ চূড়া মাউন্ট এভারেস্টে ওঠার জন্য রশি বাঁধা এবং পথ আবিষ্কারের সময় এ ভয়ানক তুষার ধসের মুখোমুখি হন।

নিখোঁজ ও হতাহতদের উদ্ধারে রাজধানী কাঠমুন্ডু থেকে পাঠানো উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম কাজ করছে।

আহতদের চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে বলেও জানান পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা।

শতাধিক অভিযাত্রী ও শেরপা ওই সময়টাতে নেপালে জড়ো হয়েছিলেন। বছরের সবচেয়ে অনুকূল আবহাওয়ায় মধ্য মে থেকে তাদের হিমালয়ের ২৯ হাজার ফুট উঁচুতে সর্বোচ্চ শৃঙ্গে অভিযান শুরু করার কথা ছিল। খবর- সিএনএন, হাফিংটনপোস্ট, গার্ডিয়ান, বিবিসি।

এর আগে নেপাল মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম কর্মকর্তা অং শেরিং জানিয়ে ছিলেন, এভারেস্টে তুষার ধসে ৪ থেক ৫ জন নিখোঁজের খবর তারা পেয়েছেন।

এভারেস্টের ২১ হাজার ৩৫ ফুট উঁচুতে যে এলাকাটিতে এই তুষার ধসের ঘটনা ঘটেছে, সেটি ‘পপকর্ন ফিল্ড’ হিসেবে পরিচিত।

১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও শেরপা তেনজিংয়ের এভারেস্ট বিজয়ের পর এখন পর্যন্ত চার হাজারের বেশি অভিযাত্রী সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের চূড়ায় সামিট করেছেন। তবে এভারেস্ট জয় করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে নিখোঁজ বা মারা গেছেন শতাধিক অভিযাত্রী।

শেয়ার