জিরাফের চুমুতে আবেগাপ্লুত বিদায়!

jraf
সমাজের কথা ডেস্ক॥ প্রাণীকূল ভীষণ আবেগপ্রবণ। এই আবেগের প্রকাশ বেশিরভাগ সময় মানুষের ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে। তবে অন্য প্রাণীরাও যে আবেগহীন সৃষ্টি নয় তার প্রমাণ অনেক মিলেছে অতীতে। আর সর্বশেষটি মিললো নেদারল্যান্ডের একটি চিড়িয়াখানায়।নিজেদের লালন-পালন করে বড় করে তোলা সেবককে আবেগাপ্লুত বিদায় দিতে দেখা গেছে চিড়িয়াখানাটির জিরাফগুলোকে! প্রত্যক্ষদর্শীদের চোখে সে দৃশ্য ছিল অভাবনীয়!যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম মিরর অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, মরণব্যাধি ক্যান্সারাক্রান্ত হয়ে জীবনের শেষ মুহূর্তে পৌঁছেছেন রটেরড্যামের দিয়েরগ্রাদ ব্লিজদর্প চিড়িয়াখানার কর্মী মারিও। চিকিৎসকদের ভাষ্য, তিনি আর বেশি দিন থাকছেন না সবুজ পৃথিবীতে। এজন্য তার শেষ ইচ্ছে জানতে চাওয়া হলো। মারিও জানালেন নিজের ২৫ বছরের কর্মস্থল শেষ বারের মতো পরিদর্শনের ইচ্ছের কথা।মারিওর ইচ্ছে পূরণে এগিয়ে আসে দাতব্য সংস্থা অ্যাম্বুলেন্স উইশ ফাউন্ডেশন। তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে শেষবারের মতো নিজের কর্মস্থল চিড়িয়াখানায় নিয়ে আসা হয়। নড়াচড়ার শক্তি হারানো মারিওকে এপাশ-ওপাশ করে তার কর্মস্থল দেখানো হচ্ছিল। যে মুহূর্তে তাকে জিরাফের খাঁচার কাছে নিয়ে যাওয়া হলো, তখনই ঘটলো অভাবনীয় দৃশ্যের অবতারণা।মানুষের শেষ ইচ্ছে পূরণে নিয়োজিত সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা কিজ ভেল্দবোয়ের বলেন, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা বন্ধুকে চিনতে একটুও অসুবিধে হলো না চিড়িয়াখানার জিরাফগুলোর! একটি জিরাফ এগিয়ে এসে মারিওর দেহে মুখ দিয়ে আদুরে পরশ বুলিয়ে দেয় এবং চুমু দেয়। তারা যেন বুঝতে পারছিল, মারিও শেষ বিদায় নিচ্ছেন।ভেল্দবোয়ের বলেন, অভাবনীয় দৃশ্য ছিল সেটা। আনন্দে মুখ জ্বলজ্বল করছিল মারিওর!

শেয়ার