দামুড়হুদায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চরমপন্থি নেতা নিহত

bondukjuddo
সমাজের কথা ডেস্ক॥
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থি সংগঠন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক কমান্ডার কাশেম ওরফে মেকুর কাশেম (৩৫) নিহত হয়েছেন।

বুধবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের একটি আম বাগানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’র এ ঘটনা ঘটে।

এসময় চরমপন্থিদের ছোড়া বোমার আঘাতে দামুড়হুদা মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নিয়াজ আলী (৩৮) ও কনস্টেবল খায়রুল ইসলাম (৪৫) গুরুতর আহত হয়েছে। তাদের দামুড়হুদা চিৎলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশি বন্দুক, ৪ রাউন্ড গুলি, ৪টি তাজা বোমা ও বেশ কয়েকটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে।

নিহত কাশেম মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার বোয়ালমারি গ্রামের জুড়ন আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, বুধবার ভোর ৪টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের কানাইবাবুর আমবাগানে ১০-১২ জন চরমপন্থি গোপন বৈঠক করছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে দামুড়হুদা থানার উপ-পরিদর্শক রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চরমপন্থিরা তাদের লক্ষ্য করে ৩টি শক্তিশালী বোমা ছুঁড়ে মারে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে উভয়ের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। এসময় চরমপন্থিদের ছোড়া বোমার স্পিন্টারে দামুড়হুদার মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক নিয়াজ আলী ও কনস্টেবল খায়রুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়েছে।

প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে চলা বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে চরমপন্থিরা পালিয়ে গেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে কাশেমের লাশ পড়ে থাকতে দেখে।

পরে একই স্থানে অভিযান চালিয়ে চরমপন্থিদের ফেলে যাওয়া একটি দেশি বন্দুক, ৪ রাউন্ড গুলি, ৪টি তাজা বোমা ও বেশ কয়েকটি গুলির খোসা উদ্ধার করে পুলিশ।

খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গার সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান ও দামুড়হুদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান হাবিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ওসি আহসান হাবিব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত কাশেম ওরফে মেকুর কাশেম চুয়াডাঙ্গা জেলায় পুলিশের তালিকাভুক্ত মোস্ট ওয়ানটেড শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে মুজিবনগর ও দামুড়হুদা থানায় অপহরণ, হত্যা, চাঁদাবাজিসহ এক ডজন মামলা রয়েছে।

শেয়ার