বিশ্ব ইজতেমায় লাখো মানুষের শান্তি কামনা

Istema
সমাজের কথা ডেস্ক॥ দেশের কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি কামনা করে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। লাখো মুসল্লির কণ্ঠে এ সময় ধ্বনিত হয়- ‘আমিন আমিন’।
রোববার বেলা পৌনে ১০টা থেকে ১৭ মিনিটব্যাপী এই মোনাজাত পরিচালনা করেন ভারতের মাওলানা মো. জোবায়রুল হাসান।
মোনাজাতে অংশ নিতে ভোর থেকেই পায়ে হেঁটে ইজতেমা ময়দানের দিকে আসেন আশপাশের মুসল্লিরা। সকাল ৯টার আগেই ইজতেমা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানের চারপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকায় সড়ক, সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা যানবাহন ও তুরাগ নদীতে নৌকার ওপর অবস্থান নিয়ে মুসল্লিরা এই মোনাজাতে শামিল হন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, ঊর্ধ্বতন সামরিক- বেসামরিক কর্মকর্তাসহ শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমান এ মোনাজাতে অংশ নেন।
এরপর আশপাশের সড়ক, অলি-গলিতে অবস্থান নেন মুসল্লিরা। ইজতেমাস্থলে পৌঁছাতে না পেরে কামাড়পাড়া সড়ক ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নেন কয়েক লাখ মানুষ।
ইজতেমা ময়দানের আশপাশের সড়ক, বাসা-বাড়ি ছাড়াও গাজীপুরের চন্দনা চৌরাস্তা মসজিদ মাঠ, ভোগড়া মধ্যপাড়া স্কুল মাঠ, নলজানি ওয়্যারলেস মাঠ, ভুরুলিয়া ওয়াপদা মাঠ, কালিয়াকৈর উপজেলার রতনপুর, আন্দারমানিক, সফিপুর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় সমবেত হয়ে মোনাজাতে অংশ নেন মুসল্লিরা। সেখানে ওয়্যালেস ও মুঠোফোনে মোনাজাত প্রচার করা হয়। পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও মোনাজাতে অংশ নিতে দেখা যায়।
মোনাজাত শেষ হওয়ার পরপরই বিভিন্ন স্থান থেকে আশা মানুষ নিজ নিজ গন্তব্যে ফেরা শুরু করলে টঙ্গীর আশপাশের সড়ক-মহাসড়কগুলোতে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।
লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির অংশগ্রহণে গত ২৪ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব । চারদিন বিরতির পর ৩১ জানুয়ারি শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব।

SHARE