খুলনায় ৪টি বসতবাড়িসহ ১৭টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে

river

বাংলানিউজ ॥
খুলনার দাকোপ উপজেলায় ৪টি বসতবাড়ি ও ১৭টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শিবসা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে হয়ে গেছে। এ সময় ইউসুফ সরদার, সাইফুল খান, আনোয়ারুল হক ও আব্দার ফকির আহত হয়েছেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
রোববার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন সুতারখালি ইউনিয়নের নলিয়ান বাজারে এ নদী ভাঙ্গনের ঘটনা ঘটে।
নদী ভাঙ্গনে আনুমানিক দেড় কোটি টাকার য়তি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ করে নলিয়ান বাজার সংলগ্ন শিবসা নদীতে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। মুহূর্তের মধ্যে বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদের হোটেল, হরষিৎ মন্ডলের রেস্টুরেন্ট, তাপস মন্ডলের সেলুন, আজিজুল হক গাজীর মাছের ডিপো, অসিত মাস্টারের রেস্টুরেন্ট, রফিকুল সরদারের মুদি দোকান, বিকাশের ঘড়ির দোকান, আব্দুল মান্নান ফকিরের মুদি ও কাপড়ের দোকান, ইয়াসিন গাজীর মুদির দোকান, মনিরুজ্জামানের মুদি ও কাপড়ের দোকান, খোকন সানার চায়ের দোকান, আনোয়ারুল হকের হার্ডওয়ারের দোকান, সিরাজুল হক সানার রেস্টুরেন্ট ও মনো কর্মকারের দোকানসহ ১৭টি দোকান এবং আক্তার, আসাদুল, মুজিবর সরদার ও আরশাদ গাজীর বসত বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
নলিয়ান বাজার সংলগ্ন আরো পাঁচটি বাড়ি চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে এই বাড়িগুলোও শিবসা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে, নদী ভাঙ্গনের খবর স্থানীয় সুতারখালি ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন ও দাকোপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্কাস আলী শিকদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন ও স্থানীয়রা জানান, ১৭টি দোকানঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় প্রাথমিকভাবে দেড় কোটি টাকার তি হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ ঘটনার দেড় মাস আগে একই ইউনিয়নের কালাবগী গ্রামের কাকড়াপাড়ার ১৬টি ঘর সুতারখালি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। নদী ভাঙ্গনে তিগ্রস্তদের প্রশাসনের প থেকে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সাহায্য দেওয়া হয়নি বলে ভুক্তভোগীদের প থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

SHARE