প্রাণের মেলার অপেক্ষা

boymela

সমাজের কথা ডেস্ক॥ রাত পোহালেই শুরু ভাষা আন্দোলনের মাস, সেই সঙ্গে জেগে উঠবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ, বিকালে পর্দা উঠবে অমর একুশে গ্রন্থমেলার।
শনিবার বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। পুরো ফেব্রুয়ারিজুড়ে লেখক-কবি-সাহিত্যিক আর বইপ্রেমীদের পদচারণায় মুখর থাকবে মেলা প্রাঙ্গণ।
এবারই প্রথম মেলার পরিধি একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে পাশের সোহরাওয়াদী উদ্যানে বিস্তৃত হয়েছে। দুই জায়গাতেই চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। স্টল বরাদ্দ পাওয়া প্রকাশনী সংস্থার কর্মীরা নিজেদের বইয়ের দোকান সাজাতে দারুণ ব্যস্ত।
শুক্রবার মেলা শুরুর আগের দিন একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে মেলার সদস্য সচিব সাহিদা খাতুন জানান, এবারের মেলায় ২৯৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৫৩৪টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
এর মধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ২৩২টি মূল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ৪৩২টি, বাংলা একাডেমি অংশে ২৪টি শিশু- কিশোর প্রকাশনা সংস্থাকে ৩৩টি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান, মিডিয়া ও অন্যান্য ৪৩ প্রতিষ্ঠানকে ৬৯টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
সাহিদা খাতুন বলেন, এবার ৫৫টি লিটল ম্যাগাজিনকে লিটল ম্যাগাজিন কর্ণারে জায়গা করে দেয়া হয়েছে। মেলার ওই অংশের নাম রাখা হয়েছে প্রয়াত কবি খন্দকার আশরাফ হোসেনের নামে।
“প্রতিবারের মতো এবারও ুদ্র প্রকাশানা সংস্থা এবং যারা ব্যাক্তি উদ্যোগে বই প্রকাশ করছেন, তাদের বই গ্রন্থকেন্দ্রের স্টলে রাখা যাবে। পাশাপাশি মেলায় একাডেমি প্রকাশিত বই ৩০ শতাংশ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বই ২৫ শতাংশ কমিশনে বিক্রি করা হবে।”
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলেন, একাডেমির সভাপতি ও এমিরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
অনুষ্ঠানে এ বছরের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মূকাভিনেতা পার্থ প্রতিম মজুমদারকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ দেয়া হবে।

SHARE