আরবপুরে সিরাজুলের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র মহড়া, পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকা

sontrashi
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে শহরতলীতে সন্ত্রাসীরা সংগঠিত হচ্ছে। হরতাল অবরোধে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া প্রদর্শনকারী এ নেতা ও তার সাঙ্গাপাঙ্গাদের চালচলনে এলাকায় রীতিমতো আতংক বিরাজ করছে। তাদের ভয়ে জীবন বাঁচাতে অনেকেই শহরে বাসা ভাড়া এবং বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের নামে থানায় একাধিক মামলা থাকলেও পুলিশ অজ্ঞাত কারণে আটক করছে না।
সূত্র মতে, যশোর শহরের আরবপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা আবার চাঙ্গা হচ্ছে। তারা দিনের বেলায় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না। নির্বাচনের আগেও এসব সন্ত্রাসীরা জনগণের উপর হামলা নির্যাতন করেছে। এমনকি হরতাল অবরোধে তাদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি প্রশাসনের লোকজনও। যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নতুনহাট বাজারে অবরোধ করে বিজিবির গাড়িতে হামলা, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে সিরাজুল ও তার ভাইয়ের সঙ্গীরা। এছাড়া শহরের চাঁচড়া মোড়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে নাজেহাল হয় সাধারণ মানুষ। সূত্র মতে, ৬ জানুয়ারি সদর উপজেলার বিএনপির সভাপতি নুরুন্নবী, আরবপুর ইউনিয়নের সিরাজুল ইসলাম, চাঁচড়া ইউনিয়নের গোলাম মোস্তফা শতাধিক ক্যাডার নিয়ে সশস্ত্র অবস্থায় যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নতুনহাট বাজারে অবরোধ করে। তারা ওই সড়কে চলাচলরত পথচারিদের মারপিট, গাড়ি ভাংচুর, রাস্তার গাছ কেটে লুটপাট, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ওই দিন কোতোয়ালি থানায় মামলা করে। ওই মামলায় ৬০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০০/১৫০ জনকে আসামি করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত হামলা ও পরিকল্পনায় নেতৃত্ব দেয়া আসামিদের আটক করা হয়নি। বরং বাণিজ্য করার জন্য কিছু নিরীহ লোকদের এ মামলায় আটক দেখানো হয়েছে বলে এলাকাবাসীর আভযোগ। পুলিশের এই নিরব ভূমিকার সুযোগে সম্প্রতি আরবপুরের সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে তাদের দলীয় বেশ কিছু সন্ত্রাসীদের নিয়ে এলাকায় অস্ত্রের মহড়া চলছে। স্থানীয় লোকের মাধ্যমে খবর পেয়ে শুক্রবার কোতোয়ালি থানার এসআই সোয়েব উদ্দিন আহম্মদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তার বাড়িতে আটক করার উদ্দেশ্যে যায়। কিন্তু অদৃশ্য কারণে তাকে আটক না করে বাড়ির সামনে থেকে ফিরে আসে। অভিযোগ উঠেছে, মোটা লেনদেনে তুষ্ট হয়ে পুলিশ তাদের আটক করছে না। এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ এমদাদুল হক শেখ জানান, আটকের জন্য গেলে তাকে বাড়িতে না পেয়ে ফিরে আসে। এসআই সোয়েব উদ্দিন

SHARE