ছোটখাট ক্যান্টনমেন্ট গড়ে তোলা সম্ভব

urms
বাংলানিউজ ॥
রায়ের সার-সংক্ষেপে বিচারক আরও বলেন, বাংলাদেশে দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার মতো আর কোনো মামলা কখনো হয়নি। বিশ্বের ইতিহাসে এ ধরনের মামলা হয়েছে বলে কোনো তথ্য আমরা এখনও পাইনি। যেসব অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে তা দিয়ে ছোটখাট একটি ক্যান্টনমেন্ট গড়ে তোলা যেতে পারতো।

বিচারক বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ বিচার-বিশ্লেষণ করে কারও প্রতি নমনীয় মনোভাব পোষণের কোনো যুক্তি আমি পাইনি। একটি-দু’টি অস্ত্র পাওয়া গেলেও আমরা সাজা দেই। কিন্তু এতো বড় অস্ত্রের চালান আটকের ঘটনা একই ধারার চিন্তা করা কারও উচিৎ হবেনা।

মাত্র দু’পৃষ্ঠার সার-সংক্ষেপ পাঠ করে বিচারক দু’টি মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, জামায়াতের আমির ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফা’র সামরিক কমাণ্ডার পরেশ বড়ুয়া, এনএসআই’র সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, এনএসআই’র সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিম, ডিজিএফআই’র সাবেক পরিচালক (নিরাপত্তা) অবসরপ্রাপ্ত উইং কমাণ্ডার সাহাবুদ্দিন আহমেদ, এনএসআই’র সাবেক উপ-পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর লিয়াকত হোসেন, এনএসআই’র সাবেক মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন খান, সিইউএফএল’র সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহসিন উদ্দিন তালুকদার, সিইউএফএল’র সাবেক মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) কে এম এনামুল হক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত শিল্প সচিব মো. নূরুল আমিন, চোরাচালানি হিসেবে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান, অস্ত্র খালাসের জন্য শ্রমিক সরবরাহকারী দীন মোহাম্মদ ও ট্রলার মালিক হাজী আবদুস সোবহান।

শেয়ার