বিএনপি-জামায়াত দেশকে তালিবানি রাষ্ট্র বানাতে তৎপর

ENU
বাংলানিউজ ॥
বাংলাদেশকে তালিবানি রাষ্ট্র বানাতে বিএনপি-জামায়াত একাট্টা হয়েছে। আর বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে রাখতে পাকিস্তানের কুখ্যাত সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই বিএনপি-জামায়াতের পক্ষ নিয়ে গোপন পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
এমন কি আইএসআই‘র যোগসাজশে জামায়াতে ইসলামী তাদের ১০ হাজার ক্যাডার পাঠায় বাংলাদেশ থেকে আফগানিস্তানে। সেখানে তারা বিন লাদেনের ছত্রছায়ায় সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।
প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে দেশে ফিরে তারা জঙ্গিপনা শুরু করে। এদের অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা এখন কারাগারে।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া গণতন্ত্র ফেলে যুদ্ধাপরাধীদের দল জামাতের পক্ষ নিয়েছেন। আর জামায়াতে ইসলামী ধরেছে সশস্ত্র সহিংসতার পথ।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া গণতন্ত্র ছুড়ে ফেলে দিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের দল জামাতের পক্ষ নিয়েছেন। আর জামায়াতে ইসলামী সশস্ত্র ও সহিংস পথ ধরেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হেয়ার রোডের বাসভবনে বাংলানিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাত্কারে এভাবেই অভিব্যক্তি জানালেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয় দফার সরকারেরও তথ্যমন্ত্রী তিনি।
মন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারের প্রধান এজেন্ডা হল জঙ্গিবাদকে নির্মূল করে দেশে সত্যিকারের উদার গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা কায়েম করা।
অথচ বিএনপি-জামায়াত উভয়েই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ধ্বংস করে দিয়ে অগণতান্ত্রিক পথে হাঁটতে চাইছে। তারা মিলিতভাবে চাইছে দেশকে তালিবানি রাষ্ট্র বানাতে। তারা গণতন্ত্রের পরিবর্তে চায় তালিবানি শাসন।
মন্ত্রী ইনু বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যাতে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারেন আমাদের সরকার সেজন্যে নিবেদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আমাদের বাংলাদেশকে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মতো রক্তাক্ত হতে দিতে পারি না। তাই দেশকে জঙ্গিদের কবলমুক্ত রাখা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করার উপরই আমাদের সরকার দ্বিতীয় দফায়ও অগ্রাধিকার দিয়েছে।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আমাদের এ প্রিয় দেশ কি জঙ্গিবাদের পথে হাঁটবে, নাকি আদর্শ কোনো গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থাকে অনুসরণ করে অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যাবে? এ দুয়ের মাঝামাঝি কোনো পথ বা মধ্যপন্থার কোনো স্থান এখানে নেই।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের ক্লাব ছেড়ে-ছুড়ে দিয়ে ‘জঙ্গি ও যুদ্ধাপরাধীদের ক্লাবে’ নাম লেখাচ্ছেন। কিন্তু আমরা চাইব উনি যেন জঙ্গি ও যুদ্ধাপরাধীদের বর্জন করে গণতন্ত্রের ক্লাবে আসেন। যদি তিনি তা করেন তাহলে আমরা তাকে স্বাগত জানাব।
খালেদা জিয়ার যদি এ ব্যাপারে সদিচ্ছা থাকে বা যদি তিনি আসলেই এটা চান, তাহলে আমরা একটি অর্থবহ আলোচনায় বসে সব দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারি। সে নির্বাচনে মানুষ যাকে ভোট দেবে তিনিই দেশ পরিচালনা করবেন।

শেয়ার