সাতক্ষীরায় চোরের ওপর বাটপারি ॥ চুরির গাছে ভাগ বসাতে ভূমি অফিসের কর্মচারি তৎপর

Satkhira
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি॥ সাতক্ষীরায় সড়ক অবরোধের নামে জামায়াত-শিবিরের গাছ লুটের সুযোগে লক্ষাধিক টাকার বেশ কয়েকটি মেহগনি গাছ কেটে নিয়ে ধরা পড়লেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারি মোশারফ হোসেন ওরফে মুন্না। তবে চোরের উপর বাটপাড়ীর ঘটনা ঘটেছে। “স” মিল থেকে ভাগ বসিয়েছে স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এক সহকারি। এ নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র জানায়, উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে মোশারফ হোসেন ওরফে মুন্না কয়েকদিন আগে সরকারি সড়কের পাশ থেকে কয়েকটি বড় মেহগনি গাছ কেটে নেন। পরে গাছ গুলি ফাড়াই করতে তিনি গোপনে ব্রক্ষ্মরাজপুর বাজারের নান্টুর “স” মিলে রেখে যান। বিষয়টি টের পেয়ে ভাগ বসাতে হানা দেন ধুলিহার ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান। তিনি ধরিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ খান হয়ে গাছ গুলো জব্ধ করেন। মজার ঘটনা হচ্ছে তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোক না হয়েও কিভাবে জব্দ করেন তা বোধগম্য নয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ইউপি সদস্য জানান, অবরোধের সুযোগকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হয়েছে। নান্টুর “স” মিলের ইজারা গৃহীতা বাপ্পী জানান, “স” মিলে মোট ৯ পিচ মেহগনি গাছ রেখেছেন মুন্না। তিনি বেশ করেই বলেন গাছের মালিক জেলা পরিষদ, কেটে লুট করছে জামায়াত শিবির অথচ সুযোগ নিয়েছে সরকারি কর্মচারি। তারপর ঘটেছে বাপপাড়ী। তবে স্বাস্থ্য সহকারি মুন্না জানান, পৈত্রিক ভিটার সীমানার মধ্যে থাকা তিনটি গাছ তিনি কেটেছেন। ভূমি সহকারি মনিরুজ্জামান মনি জানান “স” মিলে গাছগুলো দেখে তার সন্দেহ হয়। গাছগুলো জেলা পরিষদের নাকি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তা সার্ভে করে পরবর্তী পদপে নেয়া হবে। প্রশ্ন উঠেছে উনি কে ? ভাগ বসাতে ব্যর্থ হয়েই কি এই জব্দ নাটক (?) বিষয়টি খতিয়ে দেখে চোর ও বাটপাড়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

শেয়ার