নিয়ন্ত্রণে মজিদ ও তার শ্যালক তালেবচক্র ॥ যশোর বড়বাজারে পলিথিন বিকিকিনি সিন্ডিকেট তৎপর

poli bag
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর শহরের বড়বাজার এলাকার ৮ সদস্যের নিষিদ্ধ পলিথিন বিকিকিনির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। সিন্ডিকেট প্রধান আব্দুল মজিদের নেতৃত্বে তার শ্যালক আবু তালেব এ অবৈধ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার পলিথিন এখান থেকে জেলার বিভিন্ন মার্কেট ও ছোটখাট দোকানে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে পরিবেশের উপর পড়ছে বিরূপ প্রভাব। কিন্ত পলিথিন বিকিকিনিতে প্রশাসনের কোন নজরদারি নেই। একারনে প্রকাশ্যে প্রশাসনের নাকের ডগায় এচক্রটি নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি করে টাকার পাহাড় গড়ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শহরের বড়বাজার ঝালাইপট্্ির পতিতালয়ের পাশে সৈকত ট্রেডার্সে নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রির প্রধান আস্তানা গড়ে উঠেছে। এ প্রতিষ্ঠানের মালিক আব্দুল মজিদের নেতৃত্বে শ্যালক আবু তালেব, হাটখোলা রোডের অরবিন্দু, কমল পাল, সিটি প্লাজার সামনে আনন্দ, গোপাল পাল, হাটচান্নির ৮ নম্বর গলির বিধান, ৫ নম্বর গলির নিরঞ্জন ও হাটখোলা রোডের কানাই পাল নিষিদ্ধ পলিথিন বেচাকেনা করছে। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার পলিথিন পাইকারী ও খুচরা বিক্রি হচ্ছে।
সূত্র জানায়, ঢাকার চকবাজার, বগুড়ার ডালপট্্ির ও সৈয়দপুর থেকে মাল বোঝাই ট্রাকে কৌশলে পলিথিন যশোরে আনা হয়। প্রায় গভীর রাতে হাটখোলা রোডের সিটি প্লাজা মার্কেটের সামনে ট্রাকের মাল আনলোডের পাশাপাশি পলিথিন নামিয়ে গোপন আস্তানায় নিয়ে থাকে চক্রের সদস্যরা। এর সেই গোপন আস্তানায় রেখে পাইকারী বিক্রি করা হয় নিষিদ্ধ পলিথিন। এই পলিথিন সাতক্ষীরা, নড়াইল, মাগুরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, গোপালগঞ্জ ও যশোরের ৮ উপজেলার বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা কিনে নিয়ে যাচ্ছে।
একটি সূত্র বলছে, সরকার যখন পলিথিন বেচাকেনায় কঠোর নিয়ন্ত্রন আরোপ করার চেষ্টা করছে ঠিক সেই সময় প্রশাসনের একশ্রেণীর সদস্যরা পলিথিন বেচাকেনায় উদ্বুদ্ধ করে চলেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ঢাকার চকবাজার, বগুড়ার ডালপট্্ির ও সৈয়দপুর থেকে ট্রাক আসার পর পুলিশের উপস্থিতিতে পলিথিন আনলোড করে নিরাপদ আস্তানায় পৌছে যাচ্ছে। বর্তমানে হাটখোলা রোডের একটি বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয়তলায় কয়েকটি পলিথিনের গোডাউন রয়েছে।

শেয়ার