যশোরে বিশেষ অভিযানে আটক ১৪

atok
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরে বিশেষ অভিযানের প্রথম দিনে আটক করা হয়েছে ১৪ জনকে। রোববার রাতে কোতোয়ালি থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, অপহরণ, পিকেটিং ও মোবাইল চুিরর অভিযোগ রয়েছে । তারা হলো, শংকরপুর সন্নাসীর দীঘির পাড়ের জুম্মান আলীর ছেলে মুকুল হোসেন, আর এন রোড এলাকার সাব্বির হোসেনের ছেলে রাব্বি, আবুল বাদশার ছেলে সুমন, ফরহাদ হাওলাদারের ছেলে সুজন, নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়ার শংকর কুমার রায়ের ছেলে সুজন রায়, ঘোপ জেল রোডের আলমের বাড়ির ভাড়াটিয়া রফিকুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহ আল জ্যাকি, মঈন হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া ফকির গাজীর ছেলে মোহাম্মদ আলী, সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের মোশারফ হোসেন খা’র ছেলে শরিফুল ইসলাম, রঘুরামপুর আবু তালেব গাজীর ছেলে জুয়েল হোসেন, সাহেব আলীর ছেলে মিঠুন, নবাব আলীর ছেলে সাইদ হোসেন, মালঞ্চী গ্রামের আবু কালামের ছেলে রুবেল, শাহাদৎ হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ খা ও রওশন আলীর ছেলে গোলাম মোস্তফা।
পুলিশ জানায়, সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নাশকতা রোধে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের আটকের জন্য বিশেষ অভিযান শুরু হয় শনিবার রাত ১২ টা থেকে। সারা দেশের ন্যায় যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশের একাধিক টিম শহরের বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
পুলিশের অপর একটি টিমের অভিযানে মোবাইল চুরির অভিযোগে আব্দুল্লাহ আল জ্যাকি ও মোহাম্মদ আলীকে আটক করা হয়। এ দু’জন গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় শহরের ঘোপ বেলতলা থেকে ফাহাদ ইবনে বেলাল নামে এক কলেজ ছাত্রের মোবাইল চুরি করে। এ ঘটনায় ফাহাদ ইবনে বেলালের পিতা বেলাল উদ্দিন ২১ অক্টোবর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডাইরি করেন।
এছাড়া গত পহেলা ডিসেম্বর সকালে শহরের নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়া থেকে নবম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে সুজন রায়কে আটক করে।
রোববার সকালে সদর উপজেলার নতুনহাট বাজারে পিকেটিংকালে রুবেল, মোহাম্মদ খান ও গোলাম মোস্তফাকে আটক করে পুলিশ।

শেয়ার