মোরেলগঞ্জে ঘের ব্যবসায়ী রিয়াজ হত্যা মিশনে অংশ নেয় ৪ জন

bagher
মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি॥ বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ঘের ব্যবসায়ী রিয়াজ হত্যা ঘটনার কারণ ও হত্যাকাণ্ডে অংশ গ্রহণকারীদের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য পুলিশ পেয়েছে। ঘের সংক্রান্ত বিরোধের কারণেই ঝালকাঠির রাজাপুর গ্রামের শহিদুল কাজীর ছেলে রিয়াজ কাজী (২৩)কে বৃহস্পতিবার রাত ৩ টার দিকে হত্যা করে ধান ক্ষেতে ফেলে রাখা হয়। আর এ হত্যা মিশনে অংশ নেয় ঘেরের পাহারাদার জাফরসহ ৪জন। ঘের সংলগ্ন আমরবুনিয়া গ্রামের শহর আলী শেখের ছেলে ঘেরের পাহারাদার জাফর শেখ(৫০) ও রিয়াজের আপন চাচাতো ভাই মৃত তানজের কাজীর ছেলে বাচ্চু কাজী(৪০) পরিপল্পিতভাবে হত্যা করেছে রিয়াজকে। ৫০হাজার টাকা করে এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে পাহারাদার জাফর ও চাচাতো ভাই বাচ্চু রিয়াজকে হত্যার পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়নে অংশ নেয় বলে পুলিশের কাছে দেয়া স্বীকারোক্তিতে বলেছে জাফর। জাফরের স্বীকারোক্তিমতে গতকাল রবিবার বিকেলে জিউধরা বাজার থেকে স্থানীয় জনতা বাচ্চু কাজীকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ হেফাজতে রিয়াজের ঘাতক বাচ্চুকে গতকাল সন্ধ্যায় মোরেলগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাহআলম জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৩ টার দিকে রিয়াজকে হত্যা করে ধান ক্ষেতে ফেলে রাখে ঘাতকরা। খবর পেয়ে থানা ওসি আজিজুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ মর্গে পাঠান এবং সন্দেহজনকভাবে রিয়াজদের ঘেরের পাহাদার জাফর শেখকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের একদিন পরে জাফর সকল ঘটনা পুলিশের কাছে স্বীকার করে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা শহিদুল কাজী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে। সাতক্ষীরায় যৌথ বাহিনীর ওপর জামায়াত-শিবিরের হামলা গুলিবিদ্ধ বাবু হাসপাতালে॥ গ্রেফতার ৬ /২/ সাতক্ষীরা প্রতিনিধি॥ কালিগঞ্জে মুকন্দমধুসুদনপুর যৌথ বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছে জামায়াত-শিবির। পাল্টা জবাবে যৌথবাহিনীর সদস্যরা লাঠিচার্জ করে। এতে তারা আরো ক্ষুব্ধ হয়ে চারপাশ থেকে হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত ফাকা গুলি ছোড়ে পুলিশ। এ সময় শিবির নেতা আশরাফুল ইসলাম বাবুর (১৯) পা গুলিবিদ্ধ হয়। সে ওই গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে। তাকে প্রথমে কালিগঞ্জ ও পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিনের অভিযানে ৬জনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, এরআগে শনিবার রাতে সদর উপজেলার মাহমুদপুরে যৌথ বাহিনীর সাথে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষ বাধে। এসময় আলিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা শফিকুল ইসলাম, ইউপি সদস্য বিএনপি নেতা আনিসুর রহমান ও তার ভাই আজিজুল ইসলামের বাড়ি ভাংচুর করে বিক্ষুব্ধ জনতা। এদিন যৌথ বাহিনীর অভিযানে পাটকেলঘাটা থেকে ৩জন, কলারোয়া থেকে ২জন ও গুলিবিদ্ধ আশরাফুল ইসলাম বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী পৃথক দুটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শেয়ার