ট্রফি ভ্রমণের শেষ দিনে উজ্জীবিত ফুটবলাররা

Trophy
সমাজের কথা ডেস্ক॥
বিশ্বকাপ ট্রফির বাংলাদেশ ভ্রমণের শেষ দিনে জাতীয় দলের ফুটবলাররা আসেন প্রদর্শনীতে। হরতাল অবরোধের মধ্যেও বিশ্বকাপ ট্রফিকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের উৎসব-উদ্দীপনা ছুয়ে যায় তাদেরকেও।
ভ্রমণের শেষ দিনে নানা অব্যবস্থাপনার মধ্যেও ফুটবল নিয়ে তাদের স্বপ্নের কথা বলেন জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা। ট্রফি ও ট্রফিকে ঘিরে সাধারণ মানুষের উৎসবই মূলত তাদের স্বপ্নের দরজায় নাড়া দিয়েছে। বাংলাদেশ ফুটবল দলের তারকা ফুটবলার জাহিদ হাসান এমিলি বলেন, ‘বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মানুষের এই উৎসবই প্রমাণ করে ফুটবলের জনপ্রিয়তা এখনও আছে। এই উৎসাহ কাজে লাগাতে পারলে আমরা আনেক এগিয়ে যাব। যে ট্রফিতে ম্যারাডোনা জিদানের মতো তারকাদের স্পর্শ আছে সেই ট্রফি বাংলাদেশে দেখতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

আরেক তারকা খেলোয়াড় বিপ্লব বলেন, ‘আমরা যদি কখনও বিশ্বকাপে উঠি তাহলে সমগ্র দেশের মানুষ ভেদাভেদ ভুলে এক সারিতে এসে দাঁড়াবে। সেজন্যই ২০২২ সালের ভিশন নিয়ে আগাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।’ উজ্জীবিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের অন্য খেলোয়াড়রাও। জাতীয় দলের অধিনায়ক মামুনুলও বললেন স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা। তবে প্রদর্শনীতে প্রবেশের সময় নিরাপত্তাকর্মীদের দুর্ব্যাবহার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা।

বাংলাদেশ ফুটবল দলের সহকারী কোচ রেনে কোস্টারের মুখে কিন্তু ছিল বাস্তবতার সুর। তিনি মনে করেন এই বিশ্বকাপ ট্রফি আগমন সাময়িক উত্তেজনা ছাড়া আর কোনভাবেই সাহায্য করবে না ফুটবলের মানোন্নয়নে। তিনি বলেন, ‘ট্রফি দেখে খেলার মান উন্নয়ন হয় না। সে জন্য আমাদের প্রীতি ম্যাচ, আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে হবে। আর সেজন্য প্রয়োজন আরও অনেক বেশী অর্থ লগ্নি করা। অর্থের অভাবে আমরা আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে পারছি না। আর এভাবে চলতে থাকলে একশ বছরেও অবস্থার পরিবর্তন হবে না।’

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বিকাল চারটায় আমেরিকান দূতাবাসে যায় ট্রফিটি। শুক্রবার সকাল ৯টায় বিশেষ ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে ভুটান যাবে বিশ্বফুটবলের এই সেরা পুরস্কারটি।

শেয়ার