যুদ্ধাপরাধীর বিচার হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন মাত্রায় বিজয় দিবস পালিত

Shailkupa
সমাজের কথা ডেস্ক॥ লাখ শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস। যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এবারের বিজয় দিবস উদ্যাপিত হয়েছে ভিন্ন মাত্রায়। যশোরসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচিতে পালিত বিজয় দিবসের এসব খবরা খবর জানাচ্ছেন আমাদের প্রতিনিধিগণ :
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
মহান বিজয় দিবস ২০১৩ উদ্যাপন উপলক্ষে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচীর মধ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আনন্দ র‌্যালি, ছাত্রদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও আলোচনা সভা। দিনের কর্মসূচির শুরুতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. শেখ মিজানুর রহমান। সকাল ৮টায় যশোর শহরে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার এর নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শহরস্থ কার্যালয়ে বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার। এছাড়া আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইঞ্জিনিয়ার আহসান হাবীব, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. অছিকুর রহমানসহ অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ। অপরদিকে বিজয় দিবস উপলক্ষে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
ইসলামী আন্দোলন
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যশোর জেলা শাখার উদ্যোগে ১৬ ডিসেম্বর সোমবার বিকাল ৩টায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সংগঠনের বারান্দীপাড়াস্থ জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মিয়া মুহাম্মদ আব্দুল হালিম।
প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সুরা সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিম। বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল আলম খোকা, সেক্রেটারি মাওলানা শোয়াইব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এইচএম মহসিন প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে স্বাধীনতা যুদ্ধে সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
জেএসডি
মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি যশোর জেলার উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।
বক্তব্য রাখেন, জেএসডি’র জেলা সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বিপ্লব আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, অ্যাড. এমএ মান্নান, নড়াইল জেলা জেএসডি’র সভাপতি এইচএম সিরাজ, সাংবাদিক ফকির শওকত, অধ্যাপক বজলুর রহমান প্রমুখ।
আওয়ামী লীগ কর্মী ও সমর্থক গোষ্ঠী
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ কর্মী ও সমর্থক গোষ্ঠী জেলা শাখার উদ্যোগে মঙ্গলবার এক আলোচনা সভা রেলগেট তেঁতুলতলাস্থ সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে (অস্থায়ী) অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সংগঠনের আহ্বায়ক শেখ মহিদুজ্জামান কনি সভাপতিত্ব করেন। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব শাহজাদা নেওয়াজ। বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল গফুর তরফদার, সদস্য নূর ইসলাম বাবু, শাহীনুর রহমান (শানু) মোতাহার মাতব্বর, গোলাম মোস্তফা, শেখ আব্দুল আলিম, সাগর, ডাঃ দিলীপ কুমার দাস, মহিদুল ইসলাম রানা, শেখ রাসেদ প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, জামায়াত-বিএনপি সারা দেশে নৈরাজ্য, ভাংচুর এবং মানুষ মারার অবরোধ প্রতিরোধের জন্য সকল দেশপ্রেমিক নাগরিককে মহান বিজয় দিবসের শিক্ষা ধারণ করতে হবে। একই সাথে পাকিস্তানি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুদ্ধাপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লার পক্ষে বক্তব্য রাখা এবং সেদেশের সংসদে শোক প্রকাশে নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদক, কালীগঞ্জ জানান, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠন পৃথকভাবে ব্যাপক কর্মসূচি পালন করেছে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যে দিয়ে দিবসের সূচনা শুরু হয়।
সকাল ৯ টায় পুলিশ, আনসার, রোভার স্কাউটসহ মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের কুচাকাওয়াজ সমাবেশ ও মার্চপাস্ট অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০ টায় কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ শহরে বিজয় র‌্যালি বের করে। এরপর ভুষন স্কুল মাঠে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলা সহ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। অপরদিকে কালীগঞ্জ সম্মিলিত পেশাজীবী শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ শহরে পৃথকভাবে বিজয় র‌্যালি বের করে।
অভয়নগর প্রতিনিধি জানান, মহান বিজয় দিবসে নওয়াপাড়া পৌর কর্তৃপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের পুর্ণমিলনী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যশোর জেলা পরিষদের প্রসাশক সাবেক এমপি শাহ হাদিউজ্জামান বলেন, জাতিরজনক বন্ধবন্ধুর আহব্বানে সাড়া দিয়ে এবং যে স্বপ্ন নিয়ে এদেশের মুক্তিকামী মানুষ যুদ্ধ করেছিল তার আংশিক বাস্তাবায়িত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হয়ে অস¤পূর্ণ কাজ বাস্তবায়ন করতে নতুন প্রজম্মকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন স্বাধীনতা বিরোধীচক্র এদেশের স্বাধীন সর্বভৌমত্বে আঘাত এনে জনজীবনে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এই ষড়যন্ত্রকে ঐক্যবদ্ধভাবে পরাভুত করারও আহবান জানান তিনি। পৌরসভার প্যানেল মেয়র আব্দুল হামিদ মাষ্টারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ এনামুল হক বাবুল, মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার সম মোশারফ হোসেন, মোল্যা অলিয়ার রহমান, নূরুল হক, কমরেট নুরুজ্জামান, অভয়নগর থানার ওসি ইমদাদুল হক, পৌর কাউন্সিলর মোল্যা আব্দুর রউফ, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম অভয়নগর শাখার সভাপতি নাইমুল হাসান প্রমূখ। এরআগে মুক্তিযোদ্ধাদের সংর্বধনা ও সন্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিফাত মেহেনাজ প্রমুখ।
কেশবপুর প্রতিনিধি জানান, কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে থানায় প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের শুভ সুচনা ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল সরকারী-বেসরকারী ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিজয়স্তম্ভে পুস্পমাল্য অর্পন, শহীদদের আতœার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত, বিজয় র‌্যালী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ গ্রহণে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শনী, মুক্তিযোদ্ধ ও বয়স্ক ব্যক্তিদের বিনামূল্যে রক্তের সুগার পরীক্ষা, প্রীতি ক্রীড়ানুষ্ঠান, হাসপাতাল ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, সৌখীন ফুটবল প্রতিযোগিতা, মহিলাদের প্রীতি খেলাধুলা, পুরস্কার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলমের সভাপতিত্বে স্থানীয় পাবলিক ময়দানের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোর-৬ কেশবপুর আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী ইসমাত আরা সাদেক, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি এসএম রুহুল আমিন ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজা আক্তার নাহিদ, যুদ্ধাহাত মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, এ্যাড. রফিকুল ইসলাম পিটু, এ্যাড. মিলন মিত্র, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম খোকন, মনিমোহন ধর, আব্দুল কায়ুম, আনিসুর রহমান প্রমুখ।
বাঘারপাড়া প্রতিনিধি জানান, মহান বিজয় দিবসে বাঘারপাড়া উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচী পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে পুস্প স্তবক অর্পণ জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, পুলিশ, স্কাউটস গার্লস গাইডস স্কুল মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে কুজকাওয়াজ ও শারীরিক কস্রত ক্রিড়া ও চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা। দুপুরে উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের সিদ্দিকী। বক্তব্য রাখেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দিলারা জামান, মুক্তিযোদ্ধা উপজেলা কমান্ডার শহিদুল্যা খন্দকার, বীরমুক্তিযোদ্ধা হাসান আলী, ওসি তদন্ত শফিকুল ইসলাম, আব্দুল আজিজ বিশ্বাস, মাস্টার আব্দুস সালেক, সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, গোলাম হোসেন। এ সময় ৪০ জন দুস্থ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ দেয়া হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রাণি সম্পাদ কর্মকর্তা ডাঃ পল্লব কুমার দত্ত। বাগআঁচড়া প্রতিনিধি জানান, দিবসটি উপলক্ষে বাগআঁচড়া, শংকরপুর ও কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ যৌথ উদ্যোগে বিজয় র‌্যালী বের করে। পরে আলোচনা সভা ও মিলাদ মহাফিল অনুষ্ঠিত হয়। আ.লীগ নেতা আবুল কালামের সভাপতিত্বে বক্ত্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াছ কবির বকুল, আ.লীগ নেতা আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম, ফিরোজ আহম্মেদ, শরিফুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা আসাদুজ্জামান হাই, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ নেতা আবু সাঈদ, ইয়াকুব আলী বিশ্বাস, ডাঃ শাখওয়াত হোসেন, আদম শফিউল¬াহ, ছমির আলী, অলিয়ার রহমান, আঃ রহিম পশারী, হবিবার রহমান, খলিলুর রহমান, বজলুর রহমান, যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন টুটুল, মহিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা আক্তারুজ্জমান, শেখ রাসেল ও মাছুদ রানা চঞ্চল। অনুষ্ঠান শেষে ইউনিয়নের মুক্তি যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানান, দিবসটিতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উন্নয়ন ধারা’ ঝিনাইদহ জেলার সদর উপজেলার রাজাপুর এবং শৈলকুপা উপজেলার হাটফাজিলপুর ও ভাটই বাজারে দিনব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিজয় র‌্যালি, কৃষক সমাবেশ, আলোচনা সভা ও লোক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, উন্নয়ন ধারার কর্মকর্তা-কর্মচারি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, গ্রামীণ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সর্বস্তরের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন ধারা’র নির্বাহী পরিচালক কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম, স্বাধীন কৃষক সংগঠনের সভাপতি রুবায়েত হোসেন মোল্লা, প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর হায়দার আলী, কৃষিবিদ রাজু আহমেদ,স্বাধীন কৃষক সংগঠনের পাগলাকানাই ইউনিয়ন সভাপতি নুরুল ইসলাম,রাজু আহমেদ,খলিলুর রহমান,কৃষানী রোজিনা খাতুন,জলিমা খাতুন প্রমূখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক, চৌগাছা থেকে জানান, সকাল ৭টায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার মুক্তিনগরে স্মৃতি সৌধে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর সকাল সাড়ে সাত টায় মশিউরনগর স্মৃতি সৌধে পুস্প্যমাল্য অর্পন করা হয়। সকাল ৮ টায় চৌগাছা পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে বিজয় স্তম্ভে ফুল দেয়া হয়। উপজেলা প্রশাসনের প্েক্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা সুষমা সুলতানা, এসএম হাবিবুর রহমান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফুল দেন। পাইলট হাইস্কুল মাঠে মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুষমা সুলতানার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-২ চৌগাছা-ঝিকরগাছা আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাড. মনিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম হাবিবুর রহমান, ভাইস-চেয়ারম্যাস আব্দুর রহিম মল্লিক, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান আকলিমা টুটুল, সাংগঠনিক সম্পাদক ও পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মঈনুল হাসান বাচ্চু, যুবলীগ সভাপতি ও চৌগাছা ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, সুখপুকুরিয়া চেয়ারম্যান তোতা মিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা হবিবর রহমান হবি, ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।
হরিণাকুণ্ডু ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানান, দিবসটি উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকাল সাড়ে ৮ টায় উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার মাঠে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের অংশ গ্রহণে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশরাফুল আমীন, উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম টানু মল্লিক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন আক্তার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার মহিউদ্দিন আহাম্মেদ ও হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ মহিবুল ইসলাম। পরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের অংশ গ্রহণে ক্রীড়া ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠন দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি জানান, দিবসটিতে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিস্তারিত কর্মসূচী পালন করে। সকাল ৮ টায় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ রশীদুজ্জামান। এতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কবির উদ্দীন সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস মেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ মন্ডল, রাবেয়া হোসেন, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, ওসি এম, মশিউর রহমান, ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা গাজী রফিকুল ইসলাম, শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু, সুবোল চন্দ্র মন্ডল, আঃ রাজ্জাক মলঙ্গী, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম, কৃষি অফিসার বিভাষ চন্দ্র সাহা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শুকলাল বৈদ্য, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুল হক জোয়াদ্দার, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেবাশিষ মন্ডল, যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মিহীর বরণ মন্ডল, রমেন্দ্র নাথ সরকার, উপাধক্ষ্য সরদার মোহাম্মদ আলী, প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া বানু ডলি, অপু মন্ডল, পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমিরন সাধু, সাংবাদিক আব্দুল আজিজ, এস,এম আলাউদ্দীন সোহাগ, স্নেহেন্দু বিকাশ, তৃপ্তি রঞ্জন সেন, এন, ইসলাম সাগরসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।
সাড়াতলা (শার্শা) প্রতিনিধি জানান, দিবসটিতে হাজারো মানুষের বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় সিক্ত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধের লড়াকু সৈনিক বাংলাদেশের সূর্য সন্তান শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের মাজার প্রাঙ্গণ। মাজার প্রাঙ্গণে রাত ১২টা ১ মিনিটে ৩১ বার তপোধ্বর্ণীর মাধ্যমে বিজয় দিবসের কর্ম সূচির সুচনা হয়। যশোরের শার্শা উপজেলার ডিহি ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামে অবস্থিত শহীদ বীরশ্রেষ্ঠের মাজারে বিভিন্ন রাজনৈতিক সামজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার সব বয়সী মানুষ এই সূর্য সন্তানকে শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হন। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে সর্বপ্রথম বীরশ্রেষ্ঠের মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফুল আলম ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মিন্নু। এরপর একে একে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক আলহ্জ্বা নুরুজ্জামান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, ডিহি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, ডিহি ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, ডিহি ইউনিয়ন পরিষদ, ডিহি ইউনিয়ন পাবলিক লাইব্রেরী, সরকারি বীরশ্রেষ্ঠ নূরমোহাম্মদ কলেজ, পাকশিয়া আইডিয়াল কলেজ, শেখ আফিল উদ্দীন মহিলা কলেজ গোড়পাড়া, সাড়াতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়,পাকশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাকশিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সাড়াতলা সম্মিলিত বালিকা বিদ্যালয়, সাড়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানরা শ্রদ্ধাঞ্জলী জানান। কলারোয়া প্রতিনিধি জানান, দিবসটি উদযাপনে সকাল ৮টায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে নির্মিত স্বাধীনতা স্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ আলী, ইউএনও অনুপ কুমার তালুকদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস মনোয়ারা ফারুক, কলারোয়া থানার ওসি শাহ্ দারা খাঁন(পিপিএম), পৌর মেয়র আকতারুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, মাগফুর রহমান রাজু, মাস্টার মনিরুজ্জামান বুলবুল, কলারোয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার রাশেদুল হাসান কামরুল, প্রভাষক আরিফ মাহমুদ, দীপক শেঠ, আ’লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ স্বপন, রবিউল আলম মল্লিক রবি, বিএনপি নেতা বজলুল করিম, সাবেক অধ্যক্ষ রইছ উদ্দীন, আব্দুর রকিব মোল্যা, আলহাজ্ব শেখ তামিম আজাদ মেরিন, জাসদ, ওয়াকার্স পার্টি, জাতীয় পার্টিসহ সকল রাজনৈতিক দল ও অংগ সংগঠন, কলারোয়া পাবলিক ইন্সটিটিউট, শিশু ল্যাবরেটরী নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সামাজিক ও ব্যবসায়িক সংগঠন।
পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি জানান, যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে পাটকেলঘাটায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটিতে নানা কর্মসূচী পালন করে প্রশাসনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
বাগেরহাট প্রতিনিধি জানান, যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকার-আলবদরদের দ্রুত বিচারের দাবী জানিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে বাগেরহাটে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ৬টায় স্বাধীনতার শহীদ বেদীতে জেলা প্রশাসক মোঃ শুকুর আলী পুষ্পস্তবক অর্পনের মধ্যদিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন। পরে পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদ, বাগেরহাট প্রেসক্লাব, আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন, বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ছাত্রলীগ, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী দপ্তর, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ব্যক্তি শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। এ সময় ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন এমপি, মীর শওকাত আলী বাদশা এমপি, পুলিশ সুপার নিজামুল হক মোল্যাসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি প্রতিনিধি জানান, উপজেলা প্রশাসন, আ.লীগ, বিএনপি ও ওয়ার্কার্স পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজি ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মহান বিজয় দিবসে বিস্তারিত কর্মসূচী পালন করে। সকাল ৯টায় ডাবুর মাঠে আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও স্কুল, কলেজ, মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রী, পুলিশ, আনসার ভিডিপি, স্কাউটস, গালর্স গাইড সমাবেশ কুচকায়াজের ডিসপ্লে প্রদর্শিত হয়। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকাল ১১টায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুলু বিলকিস বানুর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার আলাউদ্দিন মিঠু। বক্তৃতা করেন আওয়ামীলীগের সভাপতি বিএমএ সালাম, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ইকবাল হোসেন ও শামছুন নাহার কুমকুম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী জাফর উদ্দিন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পিপিএম মোঃ ইলিয়াস ফকির, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আনোয়ারুজ্জামান মোল্যা প্রমুখ। আওয়ামীলীগ দিবসটিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। বিকেলে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পি, আসলাম খান, ইমাম হোসেন মোড়ল, শেখ রওশন আলী, মোশারফ হোসেন মোড়ল, শওকত আকুঞ্জী, কামরুজ্জামান নান্নু, আলাউদ্দিন, মৃনাল হাজরা, আবু তাহের রিপন, আব্দুল সাত্তার মামুন, মাহাবুব হোসেন, জাহিদ বিশ্বাস, শাহাদাৎ বিশ্বাস, বিকাশ রায়, আতিয়ার রহমান চাঁন, রাজ্জাক মল্লিক, জাকির হোসেন, এসকেআলী ইয়াছিন, গনি গাজী, সাহিদা ইসলাম, শামছুন্নাহার, শহিদুল্লাহ প্রিন্স, এসকে মিজানুর রহমান, রবিন বসু প্রমুখ। উপজেলা বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা কওছার আলী জমাদ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন শেখ ইকবাল হোসেন, এসএ রহমান বাবুল, হুমায়ুন কবির বিশ্বাস, শেখ আ: সালাম, অধ্যাপক গাজী ইনামুল হক, আইরিন সুলতানা, কবির জমাদ্দার, রাজা জমাদ্দার, আ: রহমান, জুয়েল শেখ, রেজোয়ান মোড়ল, আলমগীর হোসেন, শেখ লুৎফর রহমান, শেখ মতলেব হোসেন, আনিচুর রহমান পলাশ, নঈমুল ইসলাম রিকু, জুবায়ের হোসেন বনি, পারভেজ সরদার প্রমুখ। ওয়ার্কার্স পার্টি মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকাল ৯টায় বণ্যাঢ্য র‌্যালী বের করে। অংশ নেন পলিটব্যুরো সদস্য ও জেলা সম্পাদক কম: হাফিজুর রহমান ভূইয়া, জেলা নেতা কম: আনছার আলী মোল্যা, আ: হামিদ মোড়ল, শ্রমিক নেতা মোজাম্মেল হক, মাষ্টার সন্দিপন রায়, প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, রেজোয়ান হোসেন রাজা, আবুল বাশার, হারেজ আলী, আ: রশিদ, মঈন উদ্দিন, রিয়াদ হাসান তপু, রিমায়েত হোসেন রিমু, রোকেয়া খাতুন, সীতা রানী, হরিচাঁদ, আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি জানান, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, ক্রীড়ানুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। সকল অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খান, ইউএনও শান্তি মনি চাকমা, ওসি এনামুল হক সহ অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারী সাংবাদিক ও সুধিজন উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামী লীগের সভাপতি পঞ্চানন বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিজয় মিছিল বের হয়। জাতীয় পার্টির সভাপতি ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া সকল ইউনিয়নে দিবসটি পৃথক পৃথক ভাবে পালন করে।
ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি জানান, ঝিকরগাছায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। দিবসের প্রথম প্রহরে উপজেলা মোড়স্থ বিজয় স্তম্ভে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সাবেক বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া আরো শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মনিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রসাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজমুল হক, ঝিকরগাছা থানার অফিসার্স ইন চার্জ কামারুজ্জামান, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-ছাত্র-ছাত্রী, সরকারি বেসরকারি, স্বায়ত্বশাষিত প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল, জাতীয় পার্টি, কমিউনিষ্ট পার্টি, আবু বক্কর স্মৃতি পাঠাগারসহ বিভিন্ন পেশাজীবীর মানুষ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি জানান, লাখ শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে শৈলকুপায় মহান বিজয় দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। স্বাধীনতার ৪২ বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় এবারে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে বিজয় উৎসবে।
বিজয়ের প্রথম প্রহরে শৈলকুপার কবিরপুরে শহীদ মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান উপজেলা প্রশাসন। সকালে সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আব্দুল হাই এম পির নেতৃত্বে শ্রদ্ধা জানায় উপজেলা আওয়ামীলীগ। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রদ্ধা জানায়। ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই উপজেলার নানা প্রান্ত থেকে উপস্থিত হয় সর্বস্তরের মানুষ। মুহুর্তের মধ্যে ফুলে ফুলে ভরে ওঠে স্মৃতিসৌধ। যুদ্ধপরাধী কাদের মোল্লার বিচারের রায় কার্যকর হওয়ায় জাতি নতুন করে বিজয়ের স্বাদ পেতে শুরু করেছে।
পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি জানান, তালা উপজেলার ৭১নং মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বিজয় দিবসের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক সমবেতভাবে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, দেশের কল্যানে শপথ বাক্য পাঠ, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাও শিক্ষার্থীদের বিস্কুট বিতরন। রাজেন্দ্রনাথ ঘোষের, সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক সূর্য্য পাল, তোজাম্মেল হক, খাদিজা খাতুন ও রোজিনা খাতুন।
কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি জানান, কপিলমুনিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো মহান বিজয় দিবস। দিনটি পালনে তীব্র শীত উপেক্ষা করেও শহীদ বেঁদীতে পুস্পস্তবক অর্পন করেন সকল শ্রেণীপেশার মানুষ। দিনের প্রথম প্রহরে বিজয় দিবসের র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিটি কপিলমুনি বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে অংশ নেয় কপিলমুনি কলেজ, সহচরী বিদ্যামন্দি, মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কপিলমুনি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সলুয়া গোলাবাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। দিনটি উপলক্ষে কপিলমুনি বাজারের সকল ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে স্বাধীন বাংলার লাল সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন।
জীবননগর প্রতিনিধি জানান, উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জীবননগর উপজেলায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রাত ১২টা ১ মিনিটে জীবননগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। সকাল ৮টায় জীবননগর উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শরিফ উদ্দীন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় জীবননগর স্টেডিয়াম মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান ও জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মশিউর রহমান।
চুকনগর (খুলনা) প্রতিনিধি জানান, চুকনগরে বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। উপলক্ষে এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করে। সকাল ৮টায় ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে চুকনগর গণহত্যা’৭১ স্মৃতি বধ্যভূমিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী আঃ হাদী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামছুদ্দোহা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সেলিম রেজা, ভাইস চেয়ারম্যান শোভা রানী হালদার প্রমুখ। এরপর ডুমুরিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, চুকনগর গণহত্যা-৭১ স্মৃতি রক্ষা পরিষদ, আটলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, ইউনিয়ন বিএনপি, চুকনগর ডিগ্রী কলেজ, দিব্যপল্লী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পন করে। বিকাল ৪টায় আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা দলীয় কার্যালয়ে এস এম নুর আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন সিরাজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, স্বপন দেব, শেখ আব্দুস সামাদ, যুবলীগ নেতা প্রভাষক জিএম ফারুক হোসেন, সরদার শরিফুল ইসলাম, প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষ, সরদার কবিরুল ইসলাম, জাকির হোসেন মিল্টন, বিশ্বজিত মজুমদার প্রমুখ। সকাল ৯টায় আটলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে র‌্যালি বের হয়। র‌্যালি শেষে জেলা বিএনপি নেতা এম এম শাহাবুদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ বদরুজ্জামান তসলিম, মাষ্টার আজিজুর রহমান, মুর্শিদুল আলম তাজানুর, গাজী ফারুক হোসেন, শাহিনুর রহমান, কামরুল ইসলাম, মফিজুল প্রমুখ।
টেকনিক্যাল কলেজ, টেকনিক্যাল কলেজ যশোর বিটিসিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার জন্য আলোচনার অয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কলেজ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. আশরাফুল কবির। সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. জিল্লুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কলেজের রেজিস্ট্রার এসকে এম তহীদুজ্জামান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরুন কান্তি বিশ্বাস, প্রভাষক জয়দেব কুমার পাল প্রমুখ। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এতে দেশের গান পরিবেশিত হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির শুভ সূচনা হয়।
পরে শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে কেন্দ্রীয় নতুন ভাবে নির্মিত শহীদ মিনার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার আনুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করে।
এসময় এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগৈর সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম, পৌরমেয়র আব্দুল জলিল, পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জরুল কবির, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এনামুল হক।

শেয়ার