জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

savar

বাংলানিউজ ॥
১৬ ডিসেম্বর মহান জাতীয় বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সাভারস্থ জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ অ্যাডভোকেট এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার সকাল ছয়টা ৩৮ মিনিটে রাষ্ট্রপতি এবং ছয়টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর সকাল ছয়টা ৪৫ মিনিটে এবং প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ছয়টা ৪৮ মিনিটে স্মৃতিসৌধ কম্পাউন্ড ত্যাগ করে।

এর আগে সকাল সাড়ে ছয়টায় প্রধানমন্ত্রী এবং ৬টা ৩৫ মিনিটে রাষ্ট্রপতি স্মৃতি সৌধ কম্পাউন্ডে প্রবেশ করেন।

এদিকে সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ৪২ বছর পূর্তিতে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ভরে উঠেছে ফুলে ফুলে।

ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মৃতিসৌধের বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল শহীদদের প্রতি সশস্ত্র সালাম নিবেদন করে। বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর পর স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এরপর আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে নেতা-কর্মীদের নিয়ে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা। পরে শহীদদের উদ্দেশে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, প্রধান বিচারপতি, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের শ্রদ্ধা জানানো শেষে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে নেমে আসে জনস্রোত। ফুলে ফুলে ভরে ওঠে স্মৃতিসৌধের বেদীমূল।

দিনটি উপলক্ষ্যে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনায় করা হয়েছে আলোকসজ্জা। রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপগুলো সাজানো হয়েছে জাতীয় পতাকা ও রং-বেরংয়ের পতাকায়।

বিজয় দিবসে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সব ধর্মের উপসানালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হবে। হাসপাতাল, জেলখানা, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, শিশু পরিবারে পরিবেশন করা হবে উন্নতমানের খাবার।

শেয়ার