যশোরের ৪টি আসনে প্রতীক বরাদ্দ ॥ দু’জনকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ॥ ঘোষণা করে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

nowka
ইন্দ্রজিৎ রায়॥
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ২টি আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জেলা রিটার্নিং অফিসার এ সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। একই সাথে শনিবার জেলা রিটার্নিং অফিসার অপর ৪টি সংসদীয় আসনে বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন।
এই প্রতীক বরাদ্দের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের প্রচার প্রচারণার কাজ শুরু হলো। তবে প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রার্থীদেরকে মানতে হবে নির্বাচনী আচরণবিধি। আচরণবিধি লংঘন করলেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে নির্বাচন তদন্ত কমিটি।
জেলা নির্বাচন অফিসার তারেক আহমেদ জানান, ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে যশোর-১ (শার্শা) আসনে শেখ আফিল উদ্দীন ও যশোর-৩ (সদর) আসনে কাজী নাবিল আহমেদ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জেলা রিটার্নিং অফিসার এ সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। একই সাথে জেলা রিটার্নিং অফিসার শনিবার যশোরের ৪টি সংসদীয় আসনের ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন।
যশোর-২ আসনে আওয়ামী লীগের মনিরুল ইসলাম ‘নৌকা’ প্রতীক পেয়েছেন। এই আসনে জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) বিএম সেলিম রেজা ‘বাইসাইকেল’ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ‘কলস’ প্রতীক পেয়েছেন।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রণজিৎ কুমার রায় ‘নৌকা’ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল ওহাব পেয়েছেন ’কলস’ প্রতীক।
যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খান টিপু সুলতান পেয়েছেন ‘নৌকা প্রতীক’। তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী স্বপন ভট্টাচার্য পেয়েছেন ‘কলস’ প্রতীক।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইসমত আরা সাদেক ‘নৌকা’ প্রতীক পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট (বিএনএফ) মনোনীত প্রার্থী প্রশান্ত বিশ্বাস পেয়েছেন দলীয় প্রতীক ‘টেলিভিশন’।
জেলা নির্বাচন অফিসার তারেক আহমেদ আরও জানান, ৬টি সংসদীয় আসনে ২২ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন। এরমধ্যে ৪জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। বৈধ মনোনীত ১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বাকী ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে দুটি সংসদীয় আসনে ২জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

শেয়ার