প্রতিরোধ প্রতিশোধের ডাক আ.লীগের

motijhil
সমাজের কথা ডেস্ক॥ জামায়াত-শিবিরের নাশকতা ‘প্রতিহত’ এবং কর্মী হত্যার ‘প্রতিশোধ’ নিতে বিজয় দিবসের পর নেতা-কর্মীদের মাঠে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন সাংগঠনিক এলাকার নেতাদের যৌথসভায় এ আহ্বান জানানো হয়।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম বলেন, “আগামীকাল বিজয় দিবস, এই দিন সবাইকে শপথ নিতে হবে; সমস্ত জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করতে হবে। একটা আঘাত করলে পাল্টা জবাব দিতে হবে। কঠোরভাবে প্রতিহত করতে হবে।”

শনিবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “অনেক ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছি। মা-শিশুকে একসাথে হত্যা করবেন। তা বসে বসে দেখব না। তা সহ্য করব? এটা হয় না।”

রোববারে সভায় হানিফ বলেন, “যে নাশকতা চলছে, সেখানে ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছি। সরকারে থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করেছি। আমরা চেয়েছি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এগুলো প্রতিহত করবে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।”

বিএনপি-জামায়েতকে তিনি হুঁশিয়ার করেন- “আমরা ধৈর্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেছি। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করুন।”

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “যে ওয়ার্ডে নাশকতা প্রতিহত হবে না, সেখানকার নেতাদের দায়িত্ব ছেড়ে দিতে হবে।

“যেখানে গাড়ি পুড়বে, এসে বলবেন না গাড়ি পুড়িয়েছে। যেখানে পারবেন ধরে মিষ্টি খাওয়াবেন; মানে ধরো আর মারো।”

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। সেটি মেনে যার যার এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

“পরিষ্কার কথা, আর ধৈর্য্য-সহ্য নয়। প্রতিশোধ নিতে হবে।”

আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, “আমরা এখন যুদ্ধে আছি। বক্তৃতায় আর কাজ হবে না। ওদের রেজিস্ট করতে হবে।”

যুদ্ধাপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির পর পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কামরুল বলেন, “জামাত-শিবির আর খালেদা জিয়াকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। এরা সবাই আইএসআইয়ের এজেন্ট।”

বিজয় শোভাযাত্রা আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনার জন্য এই যৌথসভার আয়োজন করে মহানগর আওয়ামী লীগ।

সংগঠনের মহানগর সভাপতি এম এ আজিজের সভাপতিত্বে সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও আহাম্মদ হোসেনও বক্তব্য দেন।

শেয়ার