ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসন॥ বিজয়ের সম্ভাবনা আ’ লীগ প্রার্থীর

নয়ন খন্দকার, কালীগঞ্জ॥ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী আমিরুল ইসলাম মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়ায় শরীক দলের দু’প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হচ্ছেন কালীগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল আজীম আনার ও ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তফা আলমলীগ রতন। রাজনীতি সচেতন মহল বলছেন, ওয়ার্কার্স পার্টি সাংগঠনিক অবস্থা খুবই দুর্বল। প্রার্থীর জনপ্রিয়তাও কম। এবিবেচনায় আ.লীগের প্রার্থী আনারের বিজয় অবসম্ভাবী।
এ দু’প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামীলীগের আনোয়ারুল আজীম আনারের নির্বাচনে জয়লাভ করার শতভাগ সম্ভাবণা রয়েছে। তাকে আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থী করায় তৃণমূল নেতাকর্মীরা বেজায় খুশি। তারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে আনোয়ারুল আজীম আনারকে ভোট দেবেন। ইতিমধ্যে মান্নান অনুসারী নামে পরিচিত নেতাকর্মীরাও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নেমেছেন। এদিকে নির্বাচনে না যেয়ে কালীগঞ্জ থানা বিএনপির দু’গ্রুপ মিছিল, মিটিং, সভা, সমাবেশ, হরতাল, অবরোধ ও জ্বালাও পোড়াও অব্যাহত রাখায় তিক্ত বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। এটি হতে পারে আ.লীগ প্রার্থীর জন্য আশীর্বাদ। তাছাড়া একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ওয়ার্কাস পার্টির প্রার্থী মোস্তফা আলমগীর রতনের তেমন জনপ্রিয়তা নেই। সবমিলিয়ে বিজয়ের পথে আনোয়ারুল আজীম আনার এমনটি ভাবছেন রাজনীতি সচেতনমহল। এদিকে প্রশাসন আসনটির ৮১ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৭০টিকে অতিগুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহিৃত করেছে। নির্বাচন অফিস সূত্রমতে, ঝিনাইদহ-৪ আসনে ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৬৩৯ জন। তারমধ্যে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ভোটার রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কালীগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান ২লাখ ৩১ হাজার ৫৬৮ ভোটারের মধ্যে নৌকা প্রতিকে ১ লাখ ৫ হাজার ৮৫২ ভোট পেয়ে এমপি নির্বাচিত হন। বিএনপির প্রার্থী এম শহীদুজ্জামান বেল্টু ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ১৭৫। এছাড়া ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নুর উদ্দীন আহম্মেদ চাবি প্রতিকে ২৩৫, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির কামরুল হাসান আম প্রতীকে ২৬৯ এবং বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আব্দুস সালাম কোদাল প্রতীকে ৩৮৬ ভোট পান। নির্বাচনে এই ৩ প্রার্থী জামানত হারান।

শেয়ার