অ্যাশেজ জয়ের পথে অস্ট্রেলিয়া

ashej
সমাজের কথা ডেস্ক॥
দুই টেস্ট হাতে রেখেই অ্যাশেজ পুনরুদ্ধার করতে চলেছে অস্ট্রেলিয়া। পার্থে তৃতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার লিড ৩৬৯ রানের, হাতে আছে আরো সাত উইকেট।

রোববার ইংল্যান্ডকে ২৫১ রানে বেধে ফেলে দ্বিতীয় ইনিংসে তিন উইকেটে ২৩৫ রান করেছে স্বাগতিকরা।

ক্রিজে আছেন অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন (২৯) ও প্রথম ইনিংসে শতক করা স্টিভেন স্মিথ (৫)।

ওয়াকার গতিময় উইকেটে এখনও দুই দিনের খেলা বাকি। অস্ট্রেলীয়রা এগিয়েও গেছে বড় ব্যবধানে। তাই প্রায় সাত বছর পর অ্যাশেজ জয়ের স্বপ্ন দেখতেই পারে ২০০৬-০৭ মৌসুমে সর্বশেষ অ্যাশেজ জেতা অস্ট্রেলিয়া। সেবার ৫-০ ব্যবধানে জিতেছিল তারা।

ইংল্যান্ডের শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন আন্ডারসন।

ইংল্যান্ডের শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন আন্ডারসন।
চার উইকেটে ১৮০ রান নিয়ে খেলতে নামা ইংল্যান্ডের দুই ব্যাটসম্যান ইয়ান বেল (১৫) ও বেন স্টোকস (১৮) দিনের শুরুতেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন। আট রানের ব্যবধানে ঐ দুইজনকে হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় অতিথিরা। আর কেউ বড় স্কোর গড়তে না পারায় লাঞ্চের আগেই গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস।

ব্যাটিং ব্যর্থতার পাশাপাশি একটা দুশ্চিন্তাও বাসা বেধেছে অতিথি শিবিরে। পেসার মিচেল জনসনের বলে এলবিডব্লিউ হওয়া স্টুয়ার্ট ব্রড অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে বোলিং করতে নামতে পারেননি। আউটের সময় বলটি তার ডান পায়ের জুতায় লাগলে চোট পান তিনি।

হাসপাতালে স্ক্যান করিয়ে ফিরছেন স্টুয়ার্ট ব্রড।

হাসপাতালে স্ক্যান করিয়ে ফিরছেন স্টুয়ার্ট ব্রড।
ইংল্যান্ড দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চোট পাওয়া জায়গার স্ক্যান করার পরই তা জানা যাবে তার ব্রডের অবস্থা গুরুতর কিনা। প্রথম ইনিংসে তিন উইকেট নিয়েছিলেন পেসার ব্রড।

দ্বিতীয় ইনিংসে ক্রিস রজার্স ও ডেভিড ওয়ার্নারের ১৫৭ রানের উদ্বোধনী জুটির সুবাদে দারুণ সূচনা করে অস্ট্রেলিয়া। ১৩৫ বলে আটটি চারের সাহায্যে ৫৪ রান করে ব্রেসনানের বলে ক্যাচ আউট হন রজার্স। তবে ওয়ার্নার ছিলেন দৃঢ়, ১৪০ বলে ১৭টি চার ও দুটি ছক্কায় ১১২ রান করেন তিনি। চলতি অ্যাশেজে ওয়ার্নারের এটা দ্বিতীয় শতক, টেস্ট ক্যারিয়ারে পঞ্চম। ব্রিসবেন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৪ রান করেছিলেন তিনি।

শততম টেস্ট খেলতে নামা অধিনায়ক ক্লার্ক দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ, ২৩ রান করে স্টোকসের বলে বোল্ড হন তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: অস্ট্রেলিয়া ৩৮৫ (স্মিথ ১১১, ওয়ার্নার ৬০, হ্যাডিন ৫৫; ব্রড ৩/১০০) ও ২৩৫/৩ (রজার্স ৫৪, ওয়ার্নার ১১২, ওয়াটসন ২৯*, ক্লার্ক ২৩, স্মিথ ৫; ব্রেসনান ১/৪৯, সোয়ান ১/৫১, স্টোকস ১/৬৫)

ইংল্যান্ড: ২৫১ (কুক ৭২, কারবেরি ৪৩, রুট ৪, পিটারসেন ১৯, বেল ১৫, স্টোকস ১৮, প্রায়র ৮, ব্রেসনান ২১, ব্রড ৫, সোয়ান ১৯*, অ্যান্ডারসন ২; সিডল ৩/৩৬, হ্যারিস ৩/৪৮, জনসন ২/৬২, ওয়াটসন ১/৪৮, লিয়ন ১/৩৯)

শেয়ার