আজ যশোরের শীর্ষ তিন বিদ্যালয়ের ভর্তি যুদ্ধ

school
এম এ রাজা ॥
আজ যশোরের শীর্ষ তিন বিদ্যালয়ের ভর্তি যুদ্ধ। এই যুদ্ধে ৫১৫ আসনের বিপরীতে অংশ গ্রহণ করবে ৪হাজার ৫৬৪ ক্ষুদে শিক্ষার্থী। যা প্রতি আসনের বিপরীতে গড়ে ৯ জন। এর মধ্যে জিলা স্কুলে ২৪০ সিটের বিপরীতে ১হাজার ৯২০ জন, সরকারি বালিকা বিদ্যালয় (মোমিন গার্লস) ২১০ আসনের বিপরীতে ১হাজার ৭৯৫ জন ও পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬৫ আসনের বিপরীতে ৮৪৯ শিক্ষার্থী ভর্তি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করবে।
জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম বলেন, এবার জিলা স্কুল ২৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এর মধ্যে তৃতীয় শ্রেণিতে ২০০ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৪০ জন ছাত্র ভর্তি করা হবে। তিনি বলেন, তৃতীয় শ্রেণিতে প্রভাতি ও দিবা উভয় শাখায় ১০০ জন করে ছাত্র ভর্তি করা হবে। এই শ্রেণির উভয় শাখায় ১হাজার ৩১০ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করবে। এর মধ্যে প্রভাতি শাখায় ৬৬৫ জন এবং দিবা শাখায় ৬৪৫ জন। ষষ্ঠ শ্রেণিতে দিবা শাখায় ৪০ জন ছাত্র ভর্তি করা হবে। এই ৪০ আসনের বিপরীতে ৬১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে। সকাল ১০টা থেকে নিজ নিজ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা শুরু হবে।
সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা বলেন, এই বিদ্যালয়ে এবার তৃতীয় শ্রেণিতে ২০০ আসনের বিপরীতে ১৩২৫ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে। এর মধ্যে প্রভাতি শাখায় ৬৭৫ জন এবং দিবা শাখায় ৬৫০ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণির দিবা শাখায় ১০ সিটের বিপরীতে ৪৭০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ বলেন, এবছর ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত ৬৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এর মধ্যে ৫ম শ্রেণিতে ১০ সিটের বিপরীতে ৯১, ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ৪০ আসনের বিপরীতে ৫৫১ জন, ৭ম শ্রেণিতে ৫ জনের বিপরীতে ৯৬ জন, ৮ম শ্রেণিতে ৫ জনের বিপরীতে ৫৫ জন ও ৯ম শ্রেণিতে ৫ টি সিটের বিপরীতে ৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করবে।
জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষা ফরিদুল ইসলাম বলেন, এবার তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ৫০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বাংলা, ইংরেজিতে ১৫ নম্বর করে ও গণিতে ২০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই স্তরে গণিতের জন্য ৪০ নম্বর এবং বাংলা ও ইংরেজি উভয় বিষয়ে ৩০ নম্বর করে। তিনি আরো বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের জন্য পাঁচ শতাংশ এবং প্রতিবদ্ধিদের জন্য দুই শতাংশ কোটা থাকবে। এছাড়া রয়েছে ২ শতাংশ পৌষ্য কোটা। তবে পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সকল শ্রেণির জন্য ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ।

শেয়ার