সাক্ষী খুনের প্রতিবাদে গণজাগরণ মঞ্চের মশাল মিছিল

Ganajagaran
সমাজের কথা ডেস্ক॥ জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী পিরোজপুরের মোস্তফা হাওলাদার এবং বগুড়ায় গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক কলেজ শিক্ষক জিয়া উদ্দীন জাকারিয়াকে হত্যার প্রতিবাদে রাজধানীতে মশাল মিছিল করেছে গণজাগরণ মঞ্চ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর থেকে এ মশাল মিছিল বের করা হয়। সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ঘুরে শাহবাগ মোড় হয়ে হোটেল রূপসী বাংলার মোড় ঘুরে আবার শাহবাগে পৌঁছান মিছিলকারীরা।
মিছিল শেষে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেন, “আমাদের দুই সহযোদ্ধাকে খুন করা হয়েছে। আমরা সহযোদ্ধাদের ওপর একের পর এক হামলা হতে দেখছি। আমরা সারা বাংলাদেশে গণজাগরণ মঞ্চের ২০ জন নেতাকর্মীকে হারিয়েছি।”
দায়ীদের গ্রেপ্তারের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানানো হলেও এখনো কাউকে বিচারের আওতায় আনতে দেখা যায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
‘প্রশাসনিক ব্যর্থতায়’ এসব হামলা ও খুনের ঘটনা ঘটছে অভিযোগ করে ইমরান বলেন, “জামায়াত-শিবির তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে, তারা উগ্র ও জঙ্গি সংগঠন। তবুও তাদের নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।”
এই পরিস্থিতির জন্য জামায়াতের শরিক বিএনপির পাশাপাশি সরকারেরও সমালোচনা করেন মঞ্চের মুখপাত্র।
তিনি বলেন, “যারা জঙ্গি জামায়াতকে গণতান্ত্রিক দল হিসেবে বিবেচনায় এনে নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে অনীহা দেখায়, তারা কোন ধরনের গণতান্ত্রিক দল? আবার যারা এই জামায়াতকে নিয়ে রাজনীতি করে তারাও ককোটুকু গণতান্ত্রিক দল?”
অব্যাহত হামলার প্রতিবাদে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা রাস্তায় নেমে এলে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে, তার দায় সরকারকেই নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদের মধ্যে ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাসান তারেক, ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু, জাসদ ছাত্রলীগ সভাপতি শামছুল ইসলাম সুমন মশাল মিছিলে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার