যশোরে ছাত্রদল নেতা পলাশ খুনের মোটিভ অনুদঘাটিত॥ আজ সকাল সন্ধ্যা হরতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি উদীয়মান ঠিকাদার ও ব্যবসায়ী কবির হোসেন পলাশ খুনের মোটিভ উদঘাটনে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে। যদিও এই খুনের ঘটনায় গত দু’দিনেও কেউ আটক হয়নি। এদিকে নৃশংস এই হত্যার প্রতিবাদে বিএনপি’র ডাকে আজ যশোরে সকাল সন্ধ্যার হরতাল পালিত হচ্ছে। গতকাল বাদ জোহর ঈদগাহ ময়দানে নিহত পলাশের জানাজা শেষে কারবালা কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাযায় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক কর্মী সমর্থক অংশ নেন। সন্ধ্যায় হরতালের সমর্থনে ছাত্রদল শহরে মিছিল করে। থানায় কোন মামলা হয়নি।
সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের সিভিল কোর্ট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে খুন হন ছাত্রদল নেতা পলাশ। এ সময় শামসুজ্জামান রিন্টু নামে আরেক ছাত্রদল নেতা গুলিবিদ্ধ হয়। এঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষনিক দলটির বিক্ষুব্ধ কর্মী সমর্থকরা শহরে ভাংচুর চালায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শহরজুড়ে। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। প্রতিবাদে ছাত্রদল বুধবার যশোরে সকাল সন্ধ্যার হরতালের ডাক দেয়। রাতে পুলিশ ও র‌্যাব যৌথভাবে শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে। তবে খুনের সাথে জড়িত কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি আইন রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, খুনের মোটিভ উদঘাটনে সতর্কতার সাথে এগুচ্ছে পুলিশ। যেকোন মুহুর্তে খুনিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলেও দাবি করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নাকি ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বে পলাশকে খুন হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে গতকাল ময়না তদন্ত শেষে পলাশের লাশ নেয়া হয় শহরের ভোলা ট্যাংক রোডের বাড়িতে। সেখান থেকে দুপুরের দিকে আনা হয় ঈদগাহ ময়দানে। এখানে তার জানাযায় বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। জানাযা শেষে কারবালা কবর স্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এদিকে আহত শামসুজ্জামান রিন্টুর অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

শেয়ার