নির্বাচন পেছানো ‘জটিল’: সিইসি

cec
সমাজের কথা ডেস্ক॥ দুই দলকে সমঝোতায় রাজি করাতে আসা জাতিসংঘ মহাসচিবের দূতের চিন্তায় নির্বাচন পেছানোর বিষয়টি থাকলেও এই মুহূর্তে তা ‘জটিল’ বলে মনে করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।
সমঝোতার জন্য ‘অপো’ করার পর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রোপটেও এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় নির্বাচন পেছানোর জটিলতর হচ্ছে বলে অস্কার ফার্নান্দেজ-তারানকোকে বলেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকের পরদিন রোববার দুপুরে নির্বাচন কমিশনে যান জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব। তার সঙ্গে বৈঠকের আলোচনা সন্ধ্যায় লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে জানান কাজী রকিব।
তিনি বলেন, “তফসিল ঘোষণার পর দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেছে। আপনারা অবহিত আছেন। সমঝোতার আলোচনায় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় বিষয়টি (নির্বাচন পেছানো) জটিলতর হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
নির্দলীয় সরকারের দাবিতে বিএনপির অনড় অবস্থানের মধ্যে ৫ জানুয়ারি ভোটের দিন রেখে গত ২৫ নভেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন সিইসি। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে আর ‘অপোর’ সময় ছিল না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তবে কাজী রকিব পরদিনই ইঙ্গত দেন, রাজনৈতিক সমঝোতা হলে তফসিলে পরিবর্তন আনা হবে।
এরপর দুই দলকে সমঝোতায় রাজি করার ল্য নিয়ে শুক্রবার ঢাকায় আসেন ফার্নান্দেজ-তারানকো। নির্বাচন পেছানো যায় কি না- তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাঝে জানতে চাইলে তাকে বলা হয়, এটা ইসির এখতিয়ার।
সিইসির সঙ্গে বৈঠকেও জাতিসংঘ মহাসচিবের দূত একই প্রসঙ্গ তোলেন।
সাংবাদিকদের জন্য লিখিত বক্তব্যে কাজী রকিব বলেন, “আমি আপনাদের আগেও বলেছি, সমঝোতা হলে অনেক কিছুই সম্ভব। তবে তা আইনি কাঠামোর মধ্যে থাকতে হবে। এটাই তাদেরকে বলা হয়েছে।”
তবে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে এ সমঝোতা প্রচেষ্টায় সাফল্য আশা করেন সিইসি। তাই এই মুহূর্তে বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি।
“যেহেতু জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচন করছে, সকলের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার পথ বের করার চেষ্টা করছেন, সেহেতু এ মুহূর্তে আমাদের বেশি কিছু বলা সমীচীন হবে না। বরং আমরা সকলেই আশায় থাকি।”
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নে লিখিত এই বক্তব্যের বাইরে আর কিছু বলেননি সিইসি। আইনি কাঠামোর বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

শেয়ার