বর চাই না, চাই কুকুর

সমাজের কথা ডেস্ক॥ আজব এই দুনিয়া৷ তার থেকেও আজব, দুনিয়ার আজব মানুষ৷ কোর্ট রুমে দাঁড়িয়ে এক মহিলার জজসাহেবকে সোজাসাপটা জবাব৷ বর চাই না চাই কুকুর৷ আর তা নিয়েই সম্প্রতি উত্তাল নিউ ইয়র্ক শহর৷
গপ্পোটা কি?
একেবারে অন্যরকম প্রেমের গল্প৷ যেখানে এক মালি, এক ফুল রয়েছে আর রয়েছে ছোট্ট একটা কুকুর৷ মানে? মানে আর কিছুই নয়, সে প্রায় পাঁচ বছর আগেকার গপ্পো৷ স্টেলা প্রেমে পয়েছিলেন এরানের৷ এরানও প্রথম দেখায় কন্ট্রোলে রাখতে পারেননি নিজের হৃদয়কে৷ ফলাফল, চার্চে ফুলটুস চুম্বন আর সুখে সংসার বাঁধার স্বপ্ন নিয়ে হ্যাপি ম্যারেড লাইফের সূচনা পর্ব৷ শুরুতেই প্রেমপর্বে নতুন অতিথির আগমণ৷ না! বিয়ের আগেই প্রসূতি হওয়ার গপ্পো নয়৷
বর এরান বউকে ফুলশয্যার খাটে উপহার দিলেন ছোট্ট-মিষ্টি ড্যাশহাউন্ড৷ ব্যস, স্বামী, স্ত্রী, পোষ্য নিয়ে চলতে শুরু করল সংসারের চাকা৷ যতদিন যায় স্টেলা অনুভব করে তার পোষ্যই আসলে তার আসল প্রেমিক৷ বর কাজে-কম্মে বহুদিন দূরদেশে গেলে, ছোট্ট ড্যাসহাউন্ডের সঙ্গে সময় কাটে স্টেলার৷ আর সে থেকেই বরের সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে, কাছে এসে পরে পাপ্পি৷ প্রথম প্রথম মানিয়ে নিলেও শেষমেশ ডিভোর্স ফাইল করে স্টেলা৷
আর ডিভোর্সের কাগজে একটাই শর্ত৷ বাড়ি,গাড়ি, টাকা, পয়সা কিছুই চাই না, চাই ছোট্ট ড্যাশহাউন্ডকে৷ কারণ উলটো দিকে এরান দাবি করেছেন ডিভোর্স করলে কুকুরটি থাকবে এরানের কাছে ৷ বহু টাকা ব্যয় করে তবেই তিনি বউকে উপহার দিয়েছিলেন এই ছোট্ট ড্যাসহাউন্ড৷ তাই কোনো মতেই, তার কেনা ড্যাসহাউন্ড দেবেন না বউকে৷ এরান কোর্টে জানিয়েছেন, ড্যাশহাউন্ডের বদলে তিনি বউয়ের নামে লিখে দিতে পারেন নিজের বাড়িও৷ আপাতত, নিউ ইয়র্কেরর সিটি কোর্টে চলছে ড্যাশহাউন্ড নিয়ে দুই দম্পতি-র বচসা৷ নিউ ইয়র্ক পোস্টে খবরটি প্রকাশ হওয়া মাত্রই, প্রচুর স্বেচ্ছা সেবী সংস্থা এসে হাজির কোর্ট রুমে৷ তাদের একটাই বক্তব্য দাম্পত্য কলহে পড়ে ড্যাশহাউন্ডের যেন কোনো ক্ষতি না হয়৷

শেয়ার