সাতক্ষীরায় আ.লীগ কর্মী সিরাজুল হত্যাকাণ্ড॥ পরিবারের ওপর ১০ মাসে ৪ দফা হামলা চালায় জামায়াত শিবির

সিরাজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা॥ সাতক্ষীরায় নিহত আ.লীগ কর্মী সিরাজুল ইসলামের পরিবারের ওপর ১০ মাসে অনন্ত: ৪ দফা হামলা চালায় জামায়াত শিবির। বাড়ি ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দিয়ে তারা প্রথমবারের মতো জানান দেয় আ.লীগের এই পরিবারটি তাদের টার্গেটে। তারপর ৩ দফা গুলি ও বোমা হামলা চালিয়ে শিবিরের ক্যাডাররা নিহতের ভাই আ.লীগ নেতা নজরুল ইসলামসহ পরিবারের ৫ জনকে আহত করে। কিন্তু তারপরও পুলিশ পরিবারটির নিরাপত্তা দিতে পারেনি। বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার দিকে কুচপুকুর গ্রামের নিজ বাড়িতে খুন হতে হয়েছে একজনকে।
নিহতের ভাই নজরুল ইসলাম ঘটনার রাতেই পুলিশ ও সাংবাদিকদের জানান, এলাকার দূর্ধর্ষ ডাকাত হবি ও আনিসের নেতৃত্বে জামায়াত শিবির ক্যাডাররা তার বড় ভাই সিরাজুল ইসলামকে গুলি করে হত্যা করেছে। অল্পের জন্য বেঁচে গেছে গুলিবিদ্ধ ভগ্নিপতি কওছার আলী ও ভাগ্নে শিমুল। নিহতের স্ত্রী ফরিদা খাতুন তাদের চিনতে পেরেছেন। তিনি জানান, চলতি বছরের ১ মার্চ রাতে তার বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেয় জামায়াত শিবিরের সন্ত্রাসীরা। এরপর তিন বার তাদের উপর গুলি ও বোমা হামলা চালানো হয়েছে। এতে তিনি, তার ছেলে রনি ও ভগ্নিপতিসহ ৫জন আহত হন। সেই থেকে তিনি বাড়ি ছাড়া। প্রায় সময় থানায় অবস্থান করে তিনি বেঁচে আছেন। তাকে না পেয়েই ভাইকে খুন করা হয়েছে বলে আ.লীগের এই নেতা মনে করেন। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত শেখ নাসির উদ্দীন জানান, জামায়াত শিবিরের ক্যাডাররা এই খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তবে নিহতের স্বজনদের অভিযোগ গত ১০ মাসে জামায়াত শিবির তাদের বাড়ি ঘরে আগুন ও ৩ দফা বোমা এবং গুলি চালিয়েছে কিন্তু পুলিশ সন্ত্রাসীদের ধরেনি। যেকারণে অকালে ঝরে গেল একটি প্রাণ। পুলিশের ভ’মিকা রহস্যজনক বলেও অভিযোগ পরিবারটির। এদিকে খুনের দু’দিন পার হলেও সন্ত্রাসীদের টিকনি ছুঁতে পারেনি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শেয়ার