বর্তমান প্রজন্মকে দেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান পুতুলের

Putul
বাংলানিউজ॥ বাংলাদেশ সন্ধিক্ষন পাড়ি দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ও অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বর্তমান প্রজন্মকে সময়ের হাত ধরে দেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেনে।
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেইসবুকে এ আহ্বান জানান তিনি।
সায়মা ওয়াজেদ বলেন, প্রিয় প্রজন্ম, সময়ের হাত ধরো। দেশের পাশে দাড়াও, এবারের যুদ্ধ্বই হউক শেষ যুদ্ধ।
দেশের চলমান সহিংসতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে পুতুল বলেন, সর্বত্র আগুনের ছড়াছড়ি। শহর থেকে সেই আগুন ছড়িয়ে দিচ্ছে তারা মফস্বলেও। আমরা কিন্তু কিছুই বলছি না। তাকিয়ে দেখছি চোর কি করে। প্রজন্ম তোমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে বাংলাদেশ।

পুতুল বলেন, সন্ধিক্ষন পাড়ি দিচ্ছে বাংলাদেশ। আগামীর বাংলাদেশের দায়িত্ব তোমাদেরকেই নিতে হবে। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশ পর্যন্ত প্রতিটা অর্জনে রয়েছে তরুন প্রজন্মের ত্যাগ।

তিনি আরো বলেন, শাহবাগের গণ জাগরণ বাংলাদেশকে স্বপ্ন দেখিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ্বের পর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, বাংলাদেশে ধর্মান্ধতার কাফনে মোড়াতে চেয়েছে বিভিন্ন দেশীয় ও বিদেশী গোষ্টী। সেই অন্ধকার ছিড়ে জেগে উঠেছিল শাহবাগ প্রগতিশীল প্রতিটা মানুষ বুক চিতিয়ে প্রতিবাদ করার সাহস জাগিয়েছে।

সায়মা ওয়াজেদ বলেন, দাউ দাউ লেলিহান আগুনে পুড়ছে বাংলাদেশ এ যেন ১৯৭১ এর প্রতিচ্ছবি। জামায়াত বিএনপির সরকার বিরোধী আন্দোলনে আক্রমনের লক্ষ্য বস্তুর দিকে তাকালেই তা পরিষ্কার। রাজনৈতিক আন্দোলনের আক্রমনের শিকার হচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন, ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে ব্রিজ কালভার্ট, উপড়ে ফেলা হচ্ছে রেললাইন। চলন্ত বাসে আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছে। ঘরে ঢুকে কুপিয়ে খুন করা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ্বাকে। আওয়ামীলীগ এমপিদের বাসায় বোমা হামলা করা হচ্ছে।

আর সেই হত্যাযজ্ঞের নেতৃত্ব দিচ্ছে নিষিদ্ধ্ব ঘোষিত জামায়াত শিবির। আর এর কারন ও খুব স্পষ্ট।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্ত শেখ হাসিনার ধমনীতে প্রবাহিত। তাই তার দেশপ্রেম ও চেতনার বিষয়ে বিশ্বাস শতভাগ। ৪২ বছর পর পাকিস্তানী প্রেত্মার বিরুদ্ধ্বে এবার লড়ছেন তিনি।

৭১’এর বঙ্গবন্ধু ৭ কোটি বাঙ্গালীকে সঙ্গে পেয়েছিলেন। সঙ্গে পেয়েছিলেন প্রজন্মের যুদ্ধ্বাদের। এবার লড়ছেন শেখ হাসিনা একা। এখন সময় পাশে দাঁড়ানোর এখন সময় সংগ্রামের।

বিশ্ববিদ্যালয় জাতির মেধা মননের সুতিকাগার হিসাবে বিবেচিত হয়। ১/১১ এর বৈরী সময়ে ও প্রথম প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই। রাজনীতি কিংবা নির্বাচনের জন্য এই জ্বালাও পুড়াও নয় এর লক্ষ্য উদ্দেশ্য কিন্তু জেলে/ফাঁসির দড়িতে। প্রেত্মাতাদের বাচিয়ে রাখতে। বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে।

শেয়ার