১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর সরকারি দুই বিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ॥ প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ৮ শিক্ষার্থী

biddaloy
এম এ রাজা ॥
যশোরের দুটি সরকারি বিদ্যালয়ে এবারের ভর্তি যুদ্ধে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে গড়ে ৮ জন করে শিক্ষার্থী। গতকাল ফরম জমা দেয়ার শেষ দিনে দুই বিদ্যালয়ে ৪৫০ টি সিটের বিপরীতে ৩ হাজার৭১৫ জন শিক্ষার্থী ফরম জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে জিলা স্কুলে ২৪০ সিটের বিপরীতে ১৯২০ জন এবং সরকারি বালিকা বিদ্যালয় (মোমিন গার্লস) ২১০ আসনের বিপরীতে ১ হাজার৭৯৫ জন শিক্ষার্থী ফরম জমা দিয়েছেন। তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনে প্রায় ৭ জন করে শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করবে। তবে ষষ্ঠ শ্রেণিতে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তি যুদ্ধে নামবে ২১ জন করে শিক্ষার্থী। আগামী ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম বলেন, এবার জিলা স্কুলে ২৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এর মধ্যে তৃতীয় শ্রেণিতে ২০০ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। তিনি বলেন, তৃতীয় শ্রেণিতে প্রভাতি ও দিবা উভয় শাখায় ১শ’ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এই শ্রেণির উভয় শাখায় ফরম জমা দিয়েছেন ১ হাজার ৩১০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে প্রভাতি শাখায় ৬৬৫ জন এবং দিবা শাখায় ৬৪৫ জন। ষষ্ঠ শ্রেণিতে দিবা শাখায় ৪০ জন ছাত্র ভর্তি করা হবে। এই ৪০ আসনের বিপরীতে ফরম জমা দিয়েছেন ৬১০ জন শিক্ষার্থী।
সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা বলেন, এই বিদ্যালয়ে এবার তৃতীয় শ্রেণিতে ২০০ আসনের বিপরীতে ১৩২৫ শিক্ষার্থী ফরম জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে প্রভাতি শাখায় ৬৭৫ জন এবং দিবা শাখায় ৬৫০ জন শিক্ষার্থী ফরম জমা দিয়েছেন। এছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণির দিবা শাখায় ১০ সিটের বিপরীতে ৪৭০ জন ফরম জমা দিয়েছেন।
এই দুই স্কুলের প্রভাতী শিফটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর সকাল ১০টায়। পরের দিন একই সময় দিবা শাখার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম বলেন, এবার তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ৫০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বাংলায় ১৫ ইংরেজিতে ১৫ ও গণিতে ২০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ১০০ নম্বরের পরীা অনুষ্ঠিত হবে। এই স্তরে গণিতের জন্য ৪০ নম্বর এবং বাংলা ও ইংরেজি উভয় বিষয়ে ৩০ নম্বর করে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে শিার্থী ভর্তির েেত্র মোট আসনের ১০ শতাংশ কোটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাস করা শিার্থীদের জন্য থাকবে। মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের জন্য পাঁচ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধিদের জন্য দুই শতাংশ কোটা থাকবে। এছাড়া রয়েছে ২ শতাংশ পৌষ্য কোটা।

শেয়ার