ফেলে দেয়া সুটকেসে গুপ্তধন!

সমাজের কথা ডেস্ক॥ স্টোররুমে দীর্ঘদিন ধরে পরে থাকা পরিত্যক্ত কোনো সামগ্রি ফেলে দেয়ার চিন্তা করছেন, তাহলে সেগুলো ভাল করে দেখে রাখুন। কেননা সেখান থেকে আপনি পেয়ে যেতে পারেন অমূল্য মানিক রতন। কী, বিশ্বাস হচ্ছে না? স্কটল্যান্ডের এক লোক কিন্তু ৭০ বছরের পুরনো এক সুটকেস ঘেঁটে মূল্যবান অলঙ্কার খুঁজে পেয়েছেন। সুটকেসের চাবি না থাকায় গত সাত দশক ধরে এটি বন্ধ অবস্থায়তেই পড়ে ছিল। কদিন আগে তালা ভেঙ্গে এটি খোলার পর ডায়মন্ডের কানের দুলসহ বিভিন্ন মূল্যবান অলঙ্কার উদ্ধার করা হয়। এ অলঙ্কারগুলোর মালিক ছিলেন ওই লোকের দাদিমা।
সুটকেস থেকে পাওয়া ২২ পদের গয়না বুধবার নিলামে তোলা হয়। নিলামে এগুলো ৯০ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার দাম ৭০ লাখ ৫৫ হাজার ৪শ ৪৪ টাকা।
স্কটল্যান্ডের অলঙ্কার বিভাগের প্রধান কারা ব্লাথারউইক জানান, কুমিরের চামরায় তৈরি সুটকেসটি ফেলে দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন এর মালিক। কৌতুহলবশত ফেলে দেয়ার আগে তিনি এটি খুলে দেখতে চান। তালা ভেঙ্গে সুটকেস খুলে তার চোখ তো ছানাবড়া। সুটকেসের মধ্যে বিভিন্ন বাক্সের মধ্যে থরে থরে সাজানো রয়েছে মূল্যবান স্বর্ণালঙ্কার।
এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো এক জোড়া হীরার কানের দুল, বিষ্ণুর নামাঙ্কিত একটি ভারতীয় নেকলেস আর ফুলতোলা একটি ফরাসি ব্রৌচ।এছাড়া হীরা, মুক্তা ও অন্যান্য পাথরের তৈরি বেশ কিছু অলঙ্কার ছিল।
এ সস্পর্কে ব্লাথারউইক বলেন, ‘এ যেন রূপকথার গল্প। তালাবদ্ধ সুটকেসে গুপ্তধন, একী বিশ্বাস করা যায়!আমি এতে ভীষণ অবাক হয়েছি।’
এসবের প্রকৃত মালিক ছিলেন ওই ব্যক্তির দাদি। তিনি ছিলেন একজন অস্ট্রেলিয়ান। আর তার দাদা ছিলেন স্কটল্যান্ডের এক সরকারি কর্মকর্তা। তাদের দুজনের পরিচয় হয়েছিল সুইজারল্যান্ডে। তবে বিয়ের পর দুজনই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত চষে বেড়িয়েছিলেন।

শেয়ার